
আওয়াজ অনলাইন: অনলাইনে টিকেট কাটার পদ্ধতি জানেন না বহু মানুষ। আবার স্মার্ট ফোন ব্যবহার করলেও অসংখ্য যাত্রীর কাছে পুরো প্রক্রিয়াটিই বেশ কঠিন। সবমিলে ট্রেনের অনলাইন টিকেট পেতে জটিল এক অবস্থার মুখোমুখি সাধারণ যাত্রী।
অল্পক্ষণে ছেড়ে যাবে ট্রেন। হন্তদন্ত যাত্রীদের কেউ কেউ পেয়েছেন অনলাইন টিকেট। অন্যরা দাঁড়িয়েছিলেন কাউন্টারে। কারণ স্মার্ট ফোনে টিকেট কাটার পুরো ব্যাপারটিই তাদের কাছে জটিল এক ব্যাপার।
যাত্রীরা জানান, অনলাইন করার পর সাধারণ যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করে না তাদের জন্য বড় ধরনের ভোগান্তি। দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের কাছে ওই রকম স্মার্ট মোবাইল নেই, অনলাইন ভিত্তিক টিকিট কেনার তার যোগ্যতা নাই। সবাই অনলাইন বুঝেনা।
বাটন বা ফিচার ফোন কেনার সামর্থ্য নেই এমন মানুষের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। আবার যারা স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন তাদের কতজনইবা রপ্ত করেছেন জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে টিকেট কাটার পদ্ধতি? এমন প্রশ্ন বেশ ক’মাস ধরেই যাত্রীরা করছেন রেল বরাবর।
যাত্রীরা জানান, রেলে চড়ে নিম্নবিত্ত ও মধ্যনিম্নবিত্তরা। তাদের হাতে স্মার্টফোন নাই। দু’একজনের থাকলেও সবাই এটার ব্যবহার বুঝেনা। তাদের জন্য মেন্যুয়ালি টিকিট থাকা দরকার।
কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার বলেন, “তাদের জন্য তো আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিটা ট্রেনেই ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট রয়েছে।”
ভোগান্তি আর টিকেট কালোবাজারি বন্ধ করতে অনলাইন পদ্ধতি চালু হলেও বিকল্প কোনো পন্থা চান প্রান্তিক মানুষ।
প্রতিনিয়ত যারা ট্রেনে ভ্রমণ করেন, তাদের অনেকেরই নেই স্মার্টফোন এবং যাদের ফোন আছে তারা জানেননা স্মার্টফোনের ব্যবহার। এ কারণে কঠিন এক ব্যাপার হয়ে গেছে ট্রেনের টিকিট কাটা।

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান