
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আহত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসার লক্ষ্যে বিশেষায়িত ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিট গঠন করা হচ্ছে। এতে আহতদের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
আজ শনিবার (১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে উল্লেখ করে তাতে বলা হয়, শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে তিনটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এগুলো হলো-
১. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা আহত হয়েছেন, তাদের সুচিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিট তৈরি করে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।
২. আহত ছাত্র-জনতা বিভিন্ন ধরনের ইনজুরিতে ভুগছেন এবং তাদের অনেকে এমন রয়েছেন যাদের অস্ত্রোপচার পরবর্তী সংক্রমণের প্রবল ঝুঁকি রয়েছে। এ সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষায়িত ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিটগুলোতে কেবলমাত্র বিশেষায়িত কনসালটেন্ট বা চিকিৎসক, নার্স ব্যতীত অন্য কাউকে প্রবেশ করানো যাবে না। এসব বিশেষায়িত ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিটগুলোতে সংশ্লিষ্ট পরিচালক সার্বক্ষণিক নজরদারি করবেন।
৩. বিশেষায়িত ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিটগুলোতে রোগীর স্বজন বা বৈধ প্রতিনিধি পরিচালকের অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকবেন। এটি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য জরুরি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এ নীতিমালা সব সরকারি হাসপাতালের জন্য প্রযোজ্য হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
-আওয়াজ অনলাইন-

আরও পড়ুন
তোফায়েল আহমেদ আর নেই
জনগণকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া পুলিশের প্রধান দায়িত্ব : আইজিপি আলী হোসেন ফকির
আগামী দুই বছরের মধ্যেই বিমানবন্দরটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে