হোম » প্রধান সংবাদ » পোরশা মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে তার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

পোরশা মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে তার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

আজ পোরশা মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও তেতুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য মোঃ আমিনুল ইসলাম রাজু ১৯৫০ সালের ১৭ই জুলাই খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু সাধন চন্দ্র মজুমদার তার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।  নিয়ামতপুর উপজেলার শিবপুর গ্রামে নিম্ন মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে তাঁর জন্ম। বাবা মৃত কামিনী কুমার মজমুদার শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি কৃষিকাজ ও ধানের আড়তের (ধান কেনাবেচা) ব্যবসা করতেন। মা সাবিত্রী বালা মজুমদার ছিলেন গৃহিণী। সাধন চন্দ্র

মজুমদারেরা ৯ ভাইবোন। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তিনি তাঁর বাবাকে হারান। এরপর থেকে তাঁর বড় ভাই (দাদা) নিরোধ চন্দ্র মজুমদার পরিবারের হাল ধরেন। বড় ভাই নিরোধ চন্দ্র মজুমদার কৃষিকাজ ও ধানের আড়তের ব্যবসা করে ছোট ভাইবোনদের বড় করেন। লেখাপড়া শেষ করে সাধন চন্দ্র মজুমদার সক্রিয় রাজনীতির পাশাপাশি জীবিকার তাগিদে বাবার মত ধান-চালের ব্যবসা শুরু করেন।

তিনি নওগাঁ কেডি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি এবং চৌমুহনী সরকারী ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাস করেন। তিনি নওগাঁ ডিগ্রী কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রী অর্জন করেন। চৌমুহনী কলেজে অধ্যায়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালে সক্রিয়ভাবে ছাত্রলীগে যোগ দেন। ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিয়ামতপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাথে এবং দেশ পুনর্গঠনে সক্রিয়ভাবে জড়িত হন।

কলেজজীবন থেকেই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৬৭ সালে তিনি ছাত্রলীগের সদস্য হন। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একজন প্রাথমিক সদস্য থেকে শুরু করে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। এখন তিনি নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদে রয়েছেন।

তিনি প্রথম জনপ্রতিনিধি  ১৯৮৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে তিনি নিয়ামতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তাঁকে নওগাঁ-১ আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।  ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে তিনি প্রথমবারের মতো সাংসদ হন। এর পর থেকে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচন পর্যন্ত তিনি

নওগাঁ-১ আসন থেকে টানা তৃতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পূর্বে তিনি জননেতা আব্দুল জলিল এমপির সহযোগিতায় পোরশা সাপাহার ও নিয়ামতপুরের অনেক স্কুল কলেজ মাদ্রাসার এমপিও ভুক্তিতে বিরাট অবদান রাখেন। নতুন নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফায়ার ব্রিগেড সহ সাবমারসিবল পাম্প এর ব্যবস্থা করে বরেন্দ্র এলাকায় মানুষদের সবচাইতে পানির অভাব দূর করেছেন। সব ধর্মের মানুষ তার জন্য দোয়া করেন। এই জন্মদিনের শুভেচ্ছায় অংশগ্রহণ করেন পোরশা মডেল প্রেস ক্লাবের সকল সাংবাদিকবৃন্দ।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!