
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় বাবা ও নানার সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে ডুবে সোয়াদ (৯) ও (সিয়াম) নামের দুই শিশু শিক্ষার্থীর করুণ মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার উত্তর লক্ষণখোলা এলাকার ২ নং খেয়াঘাট এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত সোয়াদ বন্দরের উত্তর লক্ষণখোলা এলাকার দিনমজুর শাকিল মিয়ার ছেলে ও উত্তর লক্ষণখোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয়
শেণির ছাত্র এবং সিয়াম চিটাগাংরোড শিমরাইলের মুক্তি স্বরণী এলাকার অটোরিকশা চালক রাজু আহমেদের ছেলে ও স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। নিহত সোয়াদ ও সিয়াম সর্ম্পকে মামা ভাগ্নে বলে জানান গেছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতদের আহাজারিতে এলাকার আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠে।
নিহত সিয়ামের বাবা রাজু আহমেদ বলেন, শাকিল ও রাজু ভায়রা ভাই হন। বর্তমান চলমান লকডাউনে অটোরিকশা চলাচল বন্ধ থাকায় তাদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়। তাই গত মঙ্গলবার তিনি স্বপরিবারে উত্তর লক্ষণখোলা এলাকায় তার শ্বশুর বাড়িতে চলে আসেন। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১১ টার দিকে তার ১১ বছরের ছেলে সিয়াম তার ছোট ছেলে এবং তার ভায়রা শাকিলের মেয়ের ঘরের নাতি সোয়াদকে নিয়ে তারা দুইজনে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে যান।
এ সময় ছোট ছেলেকে গোসল করিয়ে ঘাটের সিঁড়িতে বসিয়ে রাখার পর পেছনে ফিরে দেখতে পান নদীতে গোসলরত সোয়াদ ও সিয়ামকে দেখা যাচ্ছে না। সঙ্গে সঙ্গে তারা দুইজন পানিতে নামেন এবং তাদের দুইজনকে পানি থেকে তুলতে প্রায় ১০ মিনিট সময় কেটে যায়। তাদের স্থানীয় ফার্মেসীতে নিয়ে গেলে তাকে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে বলেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাদের নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেরালের হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার তাদেরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আত্রাইয়ে দুই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গৃহবধূর পা বিচ্ছিন্ন
আড়ানী ডিগ্রি কলেজে ৩১টি নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রদান