
রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে শ্বশুর বাড়ীতে সস্ত্রীক বেড়াতে গিয়ে লাশ হলেন ইবনে মুকুল(৪৫) নামের এক কম্পিউটার এবং ফটোকপি দোকান ব্যবসায়ী । এমন ঘটনাটি ঘটেছে পৌরশহরের ভাটাপুড়া গ্রামে। মৃত ব্যক্তি হলেন পৌরশহরের কলেজপাড়ার বাসিন্দা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার মুকুল সস্ত্রীক শুশুর বাড়ীতে বেড়াতে যান। সে রাতেই হঠাৎ মুকুলকে তার শুশুর বাড়ীর লোকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অচেতন অবস্থায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক জানান, এ ব্যক্তি অনেক আগেই মারা গেছেন। জামাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে লাশ ফেলে রেখে সটকে পড়ে শ্বশুর বাড়ীর লোকজন ।পরে খবর পেয়ে মুকুলের পরিবারের লোকজন তার লাশ নিয়ে বাসায় আসে । তবে বৃহস্পতিবার ৮ মার্চ সকালে লাশ দাফনের জন্য প্রস্তুত করে মুকুলের স্ত্রী ওতার ছেলে। কিন্তু লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়া দাফন করতে দিতে নারাজ মুকুলের চাচা আব্দুল লতিফ।
আব্দুল লতিফ অভিযোগ করে বলেন, আমি শুনেছি আমার ভাতিজার সাথে তার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন বুধবার রাতে চরম খারাপ ব্যবহারের সাথে তাকে মারপিট করে হত্যা করেছে। তাই এর সঠিক বিচারের প্রত্যাশায় আমি লাশের ময়না তদন্ত ছাড়া লাশ দাফন করতে দেবো না। পরে থানা পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঠাকুরগাঁও মর্গে প্রেরণ করেছে।
রানীশংকৈল থানা ওসি এস.এম জাহিদ ইকবাল মুঠোফোনে জানান, মৃত ব্যক্তির চাচার দাবীর প্রেক্ষিতে লাশ ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন এলেই বুঝা যাবে এটি আসলে হত্যা না স্বাভাবিক মৃত্যু। তিনি আরো জানান, মৃতের চাচা আব্দুল লতিফ বাদী হয়ে চারজনকে বিবাদী করেএকটি এজাহার থানায় দিয়েছে। এটি মামলা হিসেবে রুজু করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান