হোম » প্রধান সংবাদ » শ্যামনগরে সড়ক ও জনপদের গাছ কর্তন এক শিক্ষকের প্রাচীর ভাংচুরের অভিযোগ

শ্যামনগরে সড়ক ও জনপদের গাছ কর্তন এক শিক্ষকের প্রাচীর ভাংচুরের অভিযোগ

মারুফ বিল্লাহ রুবেল, শ্যামনগর: শ্যামনগরে প্রকাশ্যে দিবালোকে সড়ক ও জনপদের জায়গার একটি ফলন্ত

ছফেদা গাছ কর্তন ও এক শিক্ষকের প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শ্যামনগর উপজেলার বংশিপুর

ইউনিয়নের লস্কার পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন নাজমুলের বালুর গাদার পাশে (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল আনুমানিক ৫ টার

দিকে মৃত কারী আবুল হোসেনের মেয়ে জয়নাব সাফিয়া ও তার ভাই ফয়জুল্লাহ সড়ক ও জনপদের জায়গার উপর

থেকে গাছটি কর্তন করে। স্থানীয়রা বলেন, বছর দুয়েক আগে ৯১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক

জাহিদুল ইসলাম ও জয়নাব সাফিয়া ১১ শতাংশ জমি ক্রয় করেন।

জমিটি উভয়ে সমান ভাবে ভাগ করে আলাদা প্রাচীর নির্মাণ করে ভোগ দখল করেন। কিন্তু হঠাৎ করে জয়নাব

সাফিয়া এলাকার কিছু চিহ্নিত বখাটেদের সহযোগিতায় রাতের আধারে জাহিদুল মাষ্টারের রেকর্ড কৃত জমির প্রাচীর

ভেঙে ফেলে এবং প্রাচীরের সামনে সড়ক ও জনপদের জায়গার উপর থেকে একটি ফলোন্ত ছপেদা গাছ কর্তন

করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাষ্টার জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি ওখানে বসবাস করিনা, দুই বছর আগে জায়গাটি ক্রয়

করে প্রাচীর দিয়ে রেখেছি। হঠাৎ করে জয়নাব সাফিয়া ও তার লোকজন রাতের আধারে আমার প্রাচীর ভেঙে জায়গা

দখল করার চেষ্টা করছে। বিষয়টি নিয়ে জয়নাব সাফিয়া বলেন, জাহিদ মাষ্টারের প্রাচীর ভাঙচুরের বিষয়টি আমার

অজানা। আর গাছটি সড়ক ও জনপদের জায়গার ঠিক আছে কিন্তু গাছটি আমি লাগিয়ে ছিলাম এজন্য কেটে

নিয়েছি।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা গৌর পদ মন্ডোল বলেন,গাছ কাটার খবর জানতে পেরে আমি ঘটনা স্থলে যেয়ে

গাছ কর্তন অবস্থায় ফয়জুল্লাহ, জয়নব শাফিয়া ও আলিফ সহ আরো ৩/৪ জনকে দেখি এবং কর্তন কৃত গাছের ছবি

নেই ও তাদেরকে মৌলিক ভাবে গাছ কাটতে নিষেধ করি। কিন্তু পরবর্তীতে রাতের আধারে তারা গাছটি কেটে ফেলে।

এ ব্যপারে আমি অফিসকে অবহিত করেছি।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!