হোম » প্রধান সংবাদ » বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে জেলা আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে জেলা আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ

কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ।গতকাল মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশসহ শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ভাস্কর্য ভেঙ্গে মানুষের মন থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা যাবে না বলে মন্তব্য করেন বক্তারা।

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাইয়ের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি খবির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল (ভিপি বাদল), যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল পারভেজ ও আবু জাফর চৌধুরী বীরু, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল আলী, দপ্তর সম্পাদক এমএ রাসেল, জেলা শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, জেলা ব্যাংক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল কাদিরসহ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সভাপতি আব্দুল হাই বলেন, ‘যার ডাকে সাড়ে সাত কোটি মানুষ একত্রিত হয়েছিল সেই জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ভাস্কর্যে আঘাত কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আপনারা যতটুকু বেড়েছেন যথেষ্ট হয়েছে। আর বাড়লে আমরা ঘরে বসে থাকবো না। এর দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেবো।

এই বিজয়ের মাসে এমন ঘটনা কেন ঘটলো প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের পরে উগ্র মৌলবাদীরা ১৭ আগস্ট গ্রেনেড বোমা হামলা চালিয়েছে, ২১ আগস্ট আমাদের নেত্রীকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের ২৪ জন নেতাকর্মীকে হত্যাসহ ২০০ কর্মীকে আহত করা হয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক ভিপি বাদল বলেন, নারায়ণগঞ্জের মাটি আন্দোলনের ঘাটি, নারায়ণগঞ্জের মাটি, নারায়ণগঞ্জের রাজপথ কখনো অন্যায়ের সাথে আপাষ করে নাই। এই রাজ পথের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন খান সাহেব ওসমান আলী ও সামসুজ্জোহাসহ নেতৃবৃন্দ। এ সময় তিনি আরো বলেন, এই নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের এবং প্রতিবাদের মাটি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জেই প্রথম মশাল মিছিল হয়েছে। এই নারায়ণগঞ্জের মাটি থেকে উগ্র মৌলবাদীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য আমরা রক্ত দিতে প্রস্তুত আছি।

ভিপি বলেন, সংসদ সদস্যদের অনুরোধ করবো, যারা বঙ্গবন্ধুর নামে কুটুক্তি করবে তাদেক যাবজ্জীবন অথবা ফাসি দেয়ার আইন পাশ করার জন্য। তিনি বলেন, যারা যুদ্ধকালীন সময়ে নারায়ে তাকবির বলে স্লোগান দিয়েছে, পাকিস্তানিদের অভ্যর্থনা করেছে, আমাদের মা বোনের ইজ্জত লুন্ঠনে সাহায্য করেছে তারা ইসলামিক সংগঠন নামধারী ভন্ড। আমরা ভাস্কর্য বিরোধী ইসলামিক ভন্ডদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করলাম।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!