
গাইবান্ধা সংবাদদাতাঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ১ নং কাতুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধে বরাদ্দকৃত টাকার কাজ না করে সমুদয় টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, উপজেলার ১ নং কাতুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মাইনর ক্যাটিগরির মেরামত বাবদ দুই লক্ষ টাকা, স্নিপ বাবদ ৪৫০০০/ টাকা, শিশু শ্রেণি উপকরণ বাবদ ১০,০০০/ টাকা, দুর্যোগকালীন উপকরণ বাবদ ৫০০০/ টাকা, মডেম বাবদ ১২০০ / টাকা সহ মোট ২,৬১,২০০/ টাকা বরাদ্দ প্রাপ্ত হয়।
সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে উক্ত কাজ গুলি বাস্তবায়নের নির্দেশনা থাকলেও উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা বেগম প্রভাব খাটিয়ে এস্টিমেট অনুযায়ী কাজ না করে ভুয়া ভাউচারের বিল দাখিল করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে সমুদয় টাকা উত্তোলন করে তা নিজে আত্মসাত করেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক গত ৫/১১/২০২০ তারিখে উক্ত বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন এবং অনিয়মের সত্যতা পেলে আগামী ২০ দিনের মধ্যে এষ্টিমেট অনুযায়ী কাজ করার জন্য প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ প্রদান করেন।
কিন্তু সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও উপ পরিচালকের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কাজ করা হয়নি। ঐ বিষয়ে এলাকার রফিকুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ের কোন কাজ করা হয় নাই। তবে বিদ্যালয়ের মাঠে কিছু মাটি কাটা হয়েছে। এদিকে একজন উদ্ধর্তন শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশ বাস্তবায়ন না করায় ও টাকা আত্মসাতের ঘটনায় উক্ত প্রধান শিক্ষকের খুটির জোর কোথায়, এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে দাবি এলাকার সচেতন মহলের।

আরও পড়ুন
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী
বগুড়ার কাহালুতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু
মাদকসংক্রান্ত বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে দুলাভাই নিহত, আহত ২