
মিজানুর রহমানঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের পশ্চিম সাড়ডুবি গ্রামের আতিয়ার রহমানের মেয়ে মিতু তার স্বামী মঞ্জুরুল ইসলাম লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আউটসোর্সিং এ চাকরি করত। কিছুদিন আগে আকস্মিকভাবে রোড এক্সিডেন্টে মঞ্জুরুল মৃত্যু বরণ করেন, তখন মিতুর গর্ভে ৯ মাস বয়সের সন্তান। স্বামী মঞ্জুরুল মারা যাওয়ার ০৩ দিন পর মিতু একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেয়।
তখন থেকেই মিতুর জীবন যাপন ভীষণ কষ্টের হয়ে পড়ে। মিতুর বাবা আতিয়ার রহমানও দীর্ঘদিন যাবৎ প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত। অতঃপর মিতুর বিষয়টি স্হানীয় নেতা হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মী মাহমুদুল হাসান সোহাগ মহোদয়ের নজরে আসে তিনি তাৎক্ষণিক ভাবে মিতুর বাড়িতে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য লোক পাঠান এবং তাৎক্ষণিক কিছু অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।
পরবর্তীতে মিতুকে খুব শীঘ্রই একটি পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন পাশাপাশি তার স্বামী মঞ্জুরুল ডিসি অফিসের আউট সোর্সিংয়ের যে চাকরীটি করতো সেই চাকু্রীটি মিতুকে দেয়ার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। মিতুর নবজাতক শিশুর যাবতীয় দায়-দায়িত্ব, দেখাশুনা,
খোঁজখবর এবং তার সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য মাহমুদুল হাসান সোহাগ মহোদয় বলেন ঐ পরিবার সমাজে সুন্দর ভাবে বেচে থাকার জন্য যা করা প্রয়োজন তাই করবেন বলেও আশ্বাস দেন। এবিষয়ে মিতু বলেন, আমার মতো দুর্ঘটনা যেনো আর কোনো নারী’র জীবনে না ঘটে। আমি মনে করি আমাদের মাননীয় মোতাহার হোসেন এমপি মহোদয়ের সুযোগ্য পুত্র মাহমুদুল হাসান সোহাগ ভাই নিঃসন্দেহে পাটগ্রাম হাতীবান্ধার রত্ন।

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আত্রাইয়ে দুই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গৃহবধূর পা বিচ্ছিন্ন
আড়ানী ডিগ্রি কলেজে ৩১টি নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রদান