
মোঃ রাহুল পারভেজ, রাণীনগর উপজেলা প্রতিনিধি : নওগাঁর রাণীনগরে এলজিএসপি-৩ রাস্তা কাজের অনিয়ম ও নিম্মমানের উপকরন ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৬নং কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় রাতোয়াল গ্রামের রাখালগাছী পাড়ায় এই সিসি রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে। রাস্তার দৈর্ঘ্য:১০৭মি, প্রস্থ:২.১৩৩ মি:। এই কাজে এলজিএসপি-৩ (লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট) প্রকল্পের অর্থায়নে ২০১৯-২০ইং অর্থ বছরে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৬,৭২,০৬২টাকা।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এই রাস্তাটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলুকে। বরাদ্দ অনুসারে কাজে উন্নত মানের নতুন ইট ব্যবহার করার কথা থাকলেও চেয়ারম্যান ওই রাস্তায় ব্যবহার করা দীর্ঘদিনের পুরাতন ইট ভেঙ্গে খোয়া করে সেই খোয়া দিয়ে রাস্তার সিসি ঢালাই দেওয়া হচ্ছে এবং রাস্তার দুই পাশে ওই ইট দিয়েই রেজিন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য কাজে নিম্মমানের উপকরন ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমান সরকার যেখানে গ্রামে শহরের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে বধ্য পরিকর সেখানে গ্রামীণ সিসি ঢালাই রাস্তার কাজে অনিয়মে হতাশ গ্রামবাসীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের অনেকেই বলেন চেয়ারম্যানের ভয়ে কেউ কথা বলতে সাহস পায় না। তাই রাস্তার কাজের এই অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কারো কথা বলার ক্ষমতা নেই। এই রাস্তাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন। তাই আমরা চাই বরাদ্দে যে ভাবে বলা আছে ঠিক সেই ভাবেই করা হোক। তাতে অনন্ত আমরা রাস্তাটি কয়েক বছর ব্যবহার করতে পারবো। আর নিম্মমানের যে উপকরন দিয়ে রাস্তাটি তৈরি করা হচ্ছে এতে করে নির্মাণের ৬মাসই টিকসই হবে না।
কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজুল বাবলু মন্ডল বলেন এই রাস্তা কাজে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সেখানে এই রাস্তারই পুরাতন ইটগুলোর মূল্য ধরে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তাই বরাদ্দ অনুসারে আমি রাস্তার কাজ করছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন রাস্তার কাজে কোন অনিয়ম কিংবা নিম্মমানের উপকরন ব্যবহার করা হলে তা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে ছাত্রদলের সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে র্যাগিং ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ
তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়াকে কেন্দ্র করে চাবি চুরির অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া