
এম.এ রাশেদ (বগুড়া) জেলা প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে শিমুল হোসেন শুটকা (৩০) নামের এক হোটেল শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছে। গত বুধবার গভীর রাতে সান্তাহার মাল গুদামের পাশে বিসমিল্লাহ হোটেলের দই তৈরীর কারখানা ভিতর এ হত্যার ঘটনা ঘটে। নিহত শিমুল হোসেন উপজেলার সান্তাহার হলুদঘর এলাকার শাহজাহান আলীর ছেলে। বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বগুড়া মর্গে প্রেরণ করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিসমিল্লাহ হোটেলের চার কর্মচারী নিমাই, সুব্রত, কাজল ও দেলোয়ারকে আটক করেন পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে।
নিহত শিমুল হোসেন শুটকা সান্তাহার শহরের বিসমিল্লাহ হোটেল ও তাদের দই তৈরী কারখানায় কর্মচারী হিসাবে প্রায় ৪ বছর যাবত কাজ করছিল। সে দুই একদিন পরপর মাঝে মধ্যে বাড়িতে রাত্রি যাবন করতো। আবার দই কারখানাতেও রাত্রি যাপন করতো। গত ২৫ আগষ্ট মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাড়ি থেকে তার কর্মস্থলে আসে। এরপর গত ২৬ আগষ্ট বুধবার সারাদিন কাজ শেষে দই তৈরী কারখানায় ঘুমিয়ে পড়ে নিহত শিমুল। বৃহস্পতিবার সকালে ওই ঘরে শিমুল হোসেনের লাশ জনতা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে বেলা ১১টায় তার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করেন পুলিশ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিসমিল্লাহ হোটেল মালিক গোপনের নোংরা পরিবেশে ওই স্থানে বৈধ কাগজপত্র ছাড়ায় দই তৈরী ও বাজারজাত করছিল।নিহতের বাবা শাহজাহান আলী জানান, তার ছেলে ২৫ আগষ্ট বাড়ি থেকে যাওয়ার পর থেকে তার সাথে কোন যোগাযোগ হয়নি। তাকে শক্রতামূলক ভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করেন।
হোটেল মালিক এমরানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, দই তৈরী করার কোন কাগজপত্র নেই। তবে কে-বা কারা এই হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছে।আদমদীঘি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দীন জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে তাকে শাসরোধে হত্যা করা হতে পারে। কয়েকজন কর্মচারীকে জ্ঞিাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। তবে লাশের ময়না তদন্ত রির্পোট পাওয়া গেলে প্রকৃত হত্যা রহস্য জানা যাবে।

আরও পড়ুন
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী
বগুড়ার কাহালুতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু
মাদকসংক্রান্ত বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে দুলাভাই নিহত, আহত ২