
আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সরকারী নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে যাচ্ছে প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রমরমা ব্যবসা। অধিকাংশ প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো নানা অনিয়মের ওপর ভর করেই চলছে কার্যক্রম।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে ফরিদপুর সিভিল সার্জন ডা. মো. সিদ্দিকুর রহমান আলফাডাঙ্গা উপজেলার প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের নিকট এ তথ্য দেন।
পরিদর্শন শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় সিভিল সার্জন জানান, ‘প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর লাইসেন্স নবায়নের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরিদর্শন করতে এসেছি। দুই একটা প্রতিষ্ঠান ছাড়া আর কোন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু রাখার পরিবেশ নেই। নেই কোন বৈধ কাগজপত্র, টেকনিশিয়ান ,ডাক্তার ও নার্স।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন আরও বলেন, আমি এসেছি তাই এই খবর পেয়ে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বাহির থেকে ডাক্তার ও নার্স এনে রেখেছে কিনা আপনারা-ই তা ভালো জানেন। আপনারা স্থানীয় প্রশাসনের (ইউএনও, ওসি) মাধ্যমে এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন। আমি ক্লিনক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর প্রতিবেদন কি দিব তা বলতে পারছিনা।
এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হাসান বলেন, জেলা সিভিল সার্জন মোট ৭টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন ও বাকী ৩টি প্রতিষ্ঠান পরবর্তীতে পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শন করেছেন, আলফাডাঙ্গায় জননী ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হেলথ কেয়ার মেডিক্যাল সেন্টার, জনপ্রিয় ডায়গনস্টিক সেন্টার, মেডিকেয়ার ডায়গনস্টিক সেন্টার, নাজমা মেডিকেয়ার প্রাইভেট হাসপাতাল, মা-বাবা দোয়া সেবা সার্জিক্যাল ক্লিনিক ও এ্যাপলো সার্জিক্যাল ক্লিনিক। আরও পপুলার প্রাইভেট ক্লিনিক, প্রগতি সার্জিক্যাল ক্লিনিক ও ডি-ল্যাব ডায়গনস্টিক সেন্টার পরবর্তীতে পরিদর্শন করা হবে জানান তিনি।

আরও পড়ুন
ধুনটে ১০ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা
রাতেও বন্যার্ত মানুষের পাশে এমপি আব্দুস সাত্তার
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী