হোম » আইন-আদালত » আদালতের সিঁড়িতে ইনু হাঁপাচ্ছেন, মেনন চুপ

আদালতের সিঁড়িতে ইনু হাঁপাচ্ছেন, মেনন চুপ

আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক
আন্দোলনের সময় গুলি চালানোর মামলায় আদালতে তোলা হলো সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, আর সদ্য হার্ডডিস্ক ফরম্যাটপ্রাপ্ত আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে। তবে মূল আলোচনায় ছিলেন ইনু—নানা রাজনৈতিক বাক্যবাণের প্রখ্যাত এই নেতা আজ নতুন এক বক্তব্য দিয়ে ইতিহাসে জায়গা করে নিলেন:
“সিঁড়ি বেয়ে উঠতে পারব না।”
সকাল ১০টা। গম্ভীর পুলিশ প্রহরায় হাজতখানা থেকে বের হন তিন সাবেক নেতা।
সামনের সারিতে বামপন্থার দূরবর্তী ঐতিহ্য বহনকারী মেনন, মাঝখানে তথ্যমন্ত্রী থেকে আজ তথ্যহীন ইনু, আর পেছনে পলক, যিনি সবসময় পেছনেই থাকেন। তৃতীয় তলায় উঠতেই দৃশ্য নাটকীয় মোড় নেয়—
ইনু: “আরে ভাই, আমার হার্টে সমস্যা। সিঁড়ি বেয়ে আর উঠতে পারব না!”
মেনন থেমে যান, পলক থেমে যান। সবাই থেমে যান।
পুলিশ থেমে যায় না, তবে চোখে হাসি টিপে রাখে। হাঁপাতে হাঁপাতে অনেক কষ্টে আদালতের চতুর্থ তলায় পৌঁছান তারা—এমনভাবে হাঁপাচ্ছিলেন, যেন গণতন্ত্রের পাহাড় বেয়ে উঠছেন।
এক সহানুভূতিশীল পুলিশ কনস্টেবল মুখ টিপে হাসছিলেন। কেউ হয়তো ভেবেছিলেন, এটা “মিছিলের ক্লান্তি” নয়, “রাজনীতির বার্ধক্য”।
সব হাস্যরসের মাঝেও মামলাটি যথেষ্ট গুরুতর:
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে তোলারাম কলেজের ছাত্র মাহাদী হাসান পান্থ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। কদমতলী থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তিন সাবেক মন্ত্রীকে আসামি করা হয়: রাশেদ ৭ নম্বর, ইনু ৮ নম্বর, পলক ৯ নম্বর।
শুনানি শেষে আদালতের পঞ্চমতলার লিফটে করে নিচে নামানো হয়। হাঁপাতে হাঁপাতে এসে আবার হাঁটিয়ে নেওয়া হয় হাজতখানায়।
কেউ বললেন—“সিঁড়ি নয়, এখন ইতিহাসও ইনুর পক্ষে উঠতে পারছে না।”
আর কেউ কানে কানে বললেন, “আগে ফ্ল্যাটে উঠতেন লিফটে করে, আজ উঠলেন কাঠগড়ায়”।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!