
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রের সর্বস্তরে অনিয়ম আর সীমাহীন দুর্নীতির নিষ্ঠুর কষাঘাতে দেশ বিদেশী আগ্রাসনের কাছে জিম্মি হয়ে গিয়েছিলো। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেই তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের একাধিক সাবেক মন্ত্রী ও পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকার পৃথক চার আদালতে আরও চারটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। ঢাকায় নতুন তিন মামলাসহ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা এখন ৭০টি। এগুলোর মধ্যে হত্যার ৬০টি, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার সাতটি, অপহরণের দুটি এবং বিএনপির মিছিলে হামলার একটি মামলা রয়েছে।
এর মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ৩ আগস্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে দুলাল ওরফে সেলিম নিহতের ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ৪৯ জনের বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি হয়। নিহতের ভাই মোস্তফা কামাল বাদী হয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদ্দাম হোসেনের আদালতে এই মামলা করেন।
গত ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের বসিলায় বুড়িগঙ্গা ফিলিং স্টেশনের মেশিন অপারেটর মনসুর মিয়া নিহতের ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি হয়। নিহতের ভাই আইনাল হক বাদী হয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাহেশ চৌধুরীর আদালতে এই মামলা করেন।
গত ৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ডেমরা এলাকার সানারপাড়ে মিরাজ হোসেন নিহতের ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ৯২ জনের বিরুদ্ধে তৃতীয় মামলাটি হয়। নিহতের ভাই খোরশেদ আলম বাদী হয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেলাল হোসেনের আদালতে এই মামলা করেন।
গত ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বরে নাহিদুল ইসলাম নিহতের ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে চতুর্থ মামলাটি হয়। নিহতের ভাই সবুজ বাদী হয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে এই মামলা করেন।
-নিজস্ব প্রতিবেদক-

আরও পড়ুন
বগুড়া ধুনটে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়
বগুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন