
আওয়াজ অনলাইন: বাংলাদেশ থেকে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ আমদানীতে আগ্রহী পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানা। ইউরোপ-আমেরিকাসহ অন্যান্য উৎসের তুলনায় ভালোমানের ওষুধ কম দামে সহজলভ্য, এর প্রধাণ কারণ। একই সঙ্গে ওই দেশে ফ্যাসিলিটিজ জোনে ওষুধের প্ল্যান্টের সুবিধা দিতে চায় দেশটি।
ব্রিটিশ উপনিবেশ মুক্ত হলেও আফ্রিকার একমাত্র এই দেশটিতে গৃহযুদ্ধ চেপে বসেনি। আটলান্টিক অঞ্চলের দেশটিতে স্বর্ণ খনিছাড়াও রয়েছে তেল ও গ্যাস ক্ষেত্র। বলছিলাম, দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশ ঘানার কথা।
আয়তন ২ কোটি ৪৭ হাজার ৫শ’ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ৩ কোটিরও বেশি। কৃষি নির্ভর হলেও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানী নির্ভর। এবার, ওষুধের চাহিদার পুরোটাই বাংলাদেশ থেকে কিনতে চায় দেশটি।
এদিকে, গেল পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্পে স্বংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। স্থানীয় চাহিদার ৯৭ ভাগ নিজস্ব উৎপাদন। আন্তর্জাতিক মান বজায় থাকার সুনামের কারণে রপ্তানি করছে শতাধিক দেশে।
ঘানার সিডনা ওয়েস্ট আফ্রিকা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম বলেন, “আফ্রিকা দেশগুলো সম্পূর্ণ আমদানীর উপর নির্ভরশীল। চাহিদার ওষুধ তারা ইউকে, আমেরিকা, সাউথ আফ্রিকা ও ইউরোপের দেশগুলো থেকে আমদানী করে থাকে।”
কম করে হলেও পঞ্চাশটি বিশ্ববিদ্যালয় ফার্মাসি গ্রাজুয়েট তৈরি করছে নিয়মিত। দেশে ওষুধ শিল্পের দক্ষ জনবল ও কারিগরি জ্ঞানের অভাব নেই। তাই এধরণের প্রস্তাব অনায়েশেই গ্রহণ সম্ভব, বলছেন উদ্যেক্তারা।
রপ্তানির নতুন বাজার তৈরি হলে আর যৌথ উৎপাদনে গেলে আরও বেশি বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলেও মত খাত সংশ্লিষ্টদের।

আরও পড়ুন
নওগাঁ সদর থানার অভিযানে সুলতানপুরের কুখ্যাত সন্ত্রাসী খোকন গ্রফতার
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ, জল্পনার অবসান, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ
কিশোরগঞ্জে পুলিশ সদস্যদের স্কুল পড়ুয়া ছেলে ট্রাকচাপায় নিহত