
আওয়াজ অনলাইন: ফারাক্কায় আদানি পাওয়ারের কাজ বন্ধের দাবিসহ অন্য দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাংলাদেশে আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ রপ্তানি প্রকল্পের বিরোধিতা করে জনস্বার্থে এই মামলাটি করা হয়। আর এতে বাংলাদেশে আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎ রপ্তানিতে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) কলকাতা হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি দায়ের করেন পশ্চিমবঙ্গের ৩০ জন ফল চাষী ও অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস (এপিডিআর) নামে একটি সংস্থা।
কলকাতা হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবি ঝুমা সেন একাত্তরকে বলেন, মঙ্গলবার আদালত মামলা গ্রহণ করেছেন। আগামী সাত ফেব্রুয়ারি এই মামলার প্রথম শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
তিনি জানান, ওই দিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বাভাবিকভাবেই আদানি গ্রুপের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর ক্ষেত্রে বেশ কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা দিলো।
জানা যায়, ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলায় আদানি গ্রুপের তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ওপর দিয়ে খুঁটি দিয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুতের তার (হাইটেনশন) যাচ্ছে বাংলাদেশে। কিন্তু জেলার যে অংশের ওপর দিয়ে আদানির এই বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন যাচ্ছে, সেই ফারাক্কা নামক জায়গায় প্রচুর পরিমাণ আম ও লিচুর বাগান থাকায় তাতে প্রবল আপত্তি জানায় সেখানকার ফল চাষীরা।
ত বছরের জুলাই মাসে এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষও হয়। তাদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ না দিয়ে জোর করে আম-লিচু বাগানের ওপর গিয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুতের লাইন বাংলাদেশে নিয়ে যাচ্ছে আদানি।
তাদের দাবি, এলাকাটি জনবসতিপূর্ণ। তাছাড়া প্রচুর পরিমাণ আম, লিচুগাছ রয়েছে। ওই আম-লিচুর ফলনের ওপরই তারা নির্ভরশীল। কিন্তু ওই ফসলী জমির ওপর দিয়ে বিদ্যুতের তার গেলে ফলনের ওপর প্রভাব পড়বে।

আরও পড়ুন
বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, গণনায় লেগেছে প্রায় দুই দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
নওগাঁয় সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা করায় যুবক আটক