
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদক বিরোধী অভিযানকালে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের গাড়ি আটক করে মারধর করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
এ সময় এক কর্মকর্তাসহ ২ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ফতুল্লা থানার মুসলিমনগর এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং গাড়িসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তাদের উদ্ধার করে ফতুল্লা মডেল থানায় নিয়ে যান। এই ঘটনায় আহতবস্থায় এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানায়, মুসলিমনগর এলাকার মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে শাকিলের বাসায় সাদা পোশাকে একজন নারীসহ ৬/৭ জন লোককে হৈচৈ করতে দেখা যায়। এ সময় শাকিলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে ঘটনা জানতে চায়। শাকিলের মুখে এসিড নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানায় সে। এতে স্থানীয়রা ক্ষেপে গিয়ে অভিযানকারীদের মধ্যে একজনকে মারধর করেন। পরে তারা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের কর্মকর্তা বলে জানতে পারেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের উপ পরিদর্শক ফয়েজ আহমেদ বলেন, আমরা মুসলিমনগর সড়ক দিয়ে একটি মাদক বিরোধী অভিযানে যাচ্ছিলাম। এসময় আমাদের গাড়ি দেখে একজন ছেলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তখন আমরা শাকিল নামের একজনকে আটক করি। সে সময় তার কাছে ৪৪ পিছ ইয়াবা পাই। তাই তার বাড়িতে আরো মাদক আছে কিনা জানার জন্য তাকে নিয়ে তার বাসায় যাই। সে সময় শাকিলকে ছাড়িয়ে নিতে স্থানীয়রা আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে আমাদের একজন কর্মচারী ও শাকিল আহত হয়। তার মুখে কিছুই ছিটানে হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন এই বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি নূরে আজম জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের গাড়িসহ ৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেখান থেকে আহত অবস্থায় শাকিল নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকেও আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাদক ব্যবসায়ী শাকিল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মাদক মামলা রয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ
নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান
দশ মাসের আত্মগোপনের অবসান: র্যাবের অভিযানে ধরা মমিনুল হত্যা মামলার আসামি