
এইচ এম রুহুল কাদের, চকরিয়া : কক্সবাজারের প্রবেশদ্বার ও বৃহত্তর বানিজ্যিক এলাকা, চকরিয়া পৌরশহরের মার্কেট গুলোতে পার্শ্ববর্তী এলাকা পেকুয়া, মহেশখালী,কুতুবদিয়া, লামা আলীকদম, লোহাগড়া-সাতকানিয়া থেকে ক্রেতারা ঈদবাজার করতে আসে, সেই সুবাদে চকরিয়া পৌরশহরের ঈদ বাজারে অতিরিক্ত চাপ থাকে, সেটাকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গলাকাটা বানিজ্যে লিপ্ত ।
চকরিয়া পৌরশহরের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়,কয়েকটি কোম্পানির শোরুম ছাড়া অধিকাংশ দোকানে পন্যের গায়ে মূল্য লেখা নেই, যার কারণে গ্রাহকের সাথে প্রতারণা করে ইচ্ছেমত দাম নিচ্ছে দোকানদারেরা । আবার যেখানে কোম্পানির শোরুমে পন্যের গায়ে মূল্য লেখা আছে সেখানে উচ্চমূল্য, রাজস্থান নামের একটি শোরুমে দেখা যায় একটা পাঞ্জাবির মূল্য লেখা হয়েছে পাঁচ হাজার আটশ টাকা , যা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে ।
বাংলাদেশে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া আর কোনো পণ্যের দাম নির্ধারণের স্বীকৃত কোনো পদ্ধতি নেই। উৎপাদনকারী ও বিক্রেতারা তাদের ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করেন। আর এ কারণেই ঈদের বাজারে নতুন জামা কাপড়-জুতার দামে নৈরাজ্য চালায় ।
শুধু এখানেই শেষ নয়, আগের দামের ট্যাগের ওপরেই দাম বাড়িয়ে নতুন ট্যাগ লাগিয়ে পোশাক বিক্রি করা হচ্ছে । সাধারণ ক্রেতারা এমটিই অভিযোগ করেছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে । আর কথা বলে জানা গেছে মূল্য হ্রাস বা ডিসকাউন্ট-এর বিষয়টি অনেকাংশেই ভুয়া।
এটা হলো দাম বাড়িয়ে দিয়ে আগের দামে বা তার চেয়েও বেশি দামে বিক্রির কৌশল। একজন ব্যবসায়ী উদাহরণ দিয়ে বলেন,যে পাঞ্জাবির দাম আগে ছিলো দুই হাজার টাকা তাতে চার হাজার টাকার ট্যাগ লাগিয়ে শতকরা ৫০% ডিসকাউন্ট দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন
সরকারি সহায়তার নামে কোটি টাকার প্রতারণা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘মাসকুরা ট্রেডার্স’ এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধ
গোপালপুরে বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এর বাবা ইন্তেকাল করেছেন
বগুড়ায় ২ বছরের শিশুকে অপহরণ চেষ্টা, প্রতিবাদ করায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা