হোম » সারাদেশ » ডোমারে রাস্তা দ্রত মেরামতের দাবীতে ঠিকাদারীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী

ডোমারে রাস্তা দ্রত মেরামতের দাবীতে ঠিকাদারীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী

মো: রিমন চৌধুরী: নীলফামারীর ডোমারের আন্ধারুর মোড় হতে সোনারায়ের পুঠিরমোড় পযন্ত রাস্তটি সংস্কারের জন্য ভেঙ্গে ফেলার এক বছর অতিবাহিত হলেও মেরামত না করায় ঠিকাদারীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

শনিবার (৪ফেব্রয়ারী) বিকাল ৫টায় আন্ধারুর মোড়ে শতাধীক মানুষ মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করেন। ডোমার সদর ইউনিয়নের ১নং ও ২নং ওয়ার্ডের বাসীন্দারা এ মানববন্ধের আয়োজন করেন।

অন্ধারুর মোড় এলাকার পল্লী চিকিৎসক ইয়াসিন আলীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মিল চাতাল ব্যবসায়ী মিলন ইসলাম, শাওন হিমাগারের প্রধান স্টোর কিপার সিরাজুল ইসলাম শাহীন,ডোমার সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য নুর ইসলাম, নাট্যকার আমিনুর রহমান ও মজনু ইসলাম প্রমূখ।

এসময় বক্তারা বলেন, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য এক বছর পূর্বে ভেঙ্গে ফেলে ডোমারের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নাছিমুল একরাম সুমন ট্রেডার্স। নানান তালবাহানায় কাজ না করে সময় ক্ষেপণ করছেন প্রতিষ্ঠানটি।

ফলে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়েছে। রাস্তার পাশে একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। রাস্তার ধুলোয় শিশু শিক্ষার্থীরা নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে,বাড়ি ঘরে ঢুকছে ইট গুড়োর ধূলো।

সর্ব সাধাণের চলাচল,যানবাহন ও শিক্ষার্থীরা চলাচল করতে পারছেনা। রাস্তার পাশের বাড়িঘর ও মাঠের ফসল ধুলোয় ঢেকে যাচ্ছে। আমরা দ্রত রাস্তাটির কাজ শেষ করার জোড় দাবী করছি। ৭২ ঘন্টার মধ্যে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু না করলে রাস্তা বন্ধসহ নানা কর্মসূচি নেয়ার হুশিয়ারি দেন মানববন্ধনকারীরা।

এব্যাপারে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নাছিমুল একরাম সুমন ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী নাছিমুল একরাম সুমন জানান, আন্ধারুর মোড় হতে পুঠির মোড় ৩.১০০ কিলোমিটার রাস্তাটি মেরামতের জন্যে এক কোটি ৭১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখিত কাজটি টেন্ডারের সময় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের যে দাম ধরা হয়েছে কাজ শুরু করার সময় তা দিগুন হয়ে দাঁড়ায়।

এই মূহুর্তে কাজটি করলে আমাকে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হতে হবে। ফলে আমি কাজটি বাতিল করতে চেয়েছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বাতিল করতে পারিনি। চলতি মাসের ২০ তারিখের মধ্যে কাজটি শুরু করবো।

এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী মোস্তাক আহমেদ বলেন, রাস্তার কাজটি দ্রত শুরু করার জন্যে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটিতে দু’টি চিঠি দিয়েছি। চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে কাজটি শেষ করার জন্যে বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!