
মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে পাঁচদিন ধরে অনশন করে আসছিল এক সন্তানের জননী মারিয়া আক্তার (২৫)।
গত ২৭ জানুয়ারী সন্ধ্যায় উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামে প্রেমিক শামীমের বাড়িতে এসে অনশন করে ওই মেয়েটি। শামীম ওই গ্রামের জলিল ফকিরের ছেলে।
এই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা.সাইয়েমা হাসান মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২ টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে ওই মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানা পুলিশের হেফাজতে দেয়।
এসময় তাঁর সাথে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসা. হাসিনা বেগম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরীন সুলতানা ও মির্জাগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়,ওই মেয়েটি ( মারিয়া) পার্শ্ববর্তী পটুয়াখালী সদর উপজেলার বড়বিঘাই গ্রামের মোতালেব হাওলাদারের মেয়ে। এর আগে তার বিয়ে হয়েছিল এবং ৬ মাস আগে স্বামীর সঙ্গে তার বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়। সেখানে তার ৫ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
ভুক্তভোগী মারিয়া আক্তার অভিযোগ করে বলেন, এক বছর আগে আমার এক ভাবির মাধ্যমে শামীমের সাথে পরিচয় হয়। পরে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
তারপর থেকেই শামীম বিভিন্ন সময় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে আসছে। আমি ঢাকার মিরপুরের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতাম।
গত ৬ মাস আগে শামীম আমাকে মির্জাগঞ্জ মাজারে নিয়ে বিয়ে করবে বলে অঙ্গিকার করে। পরে আমরা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ঢাকা মিরপুর-১ এ বাসাভাড়া নিয়ে থাকি। সম্প্রতি বিয়ের কথা বলে তার নিজবাড়ি বাসন্ডা আসতে বলে সে পালিয়ে যায়।
অভিযোগের বিষয় শামীমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
মির্জাগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, ছেলের বাড়ি নির্জন জায়গায় হওয়ায় মেয়েটির নিরাপত্তার জন্য থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। উভয় পক্ষের অভিভাবক ডেকে তাদের জিম্মায় দিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল
ক্ষেতলালে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ৩১ পিস ট্যাপেনটাডলসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ