
এদিকে ঘটনার পর থেকে জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুন নাহার ডাক বাংলো প্রধান গেট বন্ধ রেখেছিলো। সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহের জন্য নানা বাধা সৃষ্টি করেছে। তিনি সাংবাদিকদের তথ্য দিতে বাঁধা প্রদান করেন এবং সাংবাদিকের সাথে খারাপ আচারণ করেন।
এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের সাথে জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুন নাহারের কথা কাটাকাটির পরে তিনি সাংবাদিকদের নিয়ে নানা বাজে মন্তব্য করেন। এসময় ঘটনাস্থলে পুলিশ, পিবিআই ও ডিএসপির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ বিশ্বাস ঘটনাস্থলে আসলে তিনি সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহের সহযোগিতা করেন।
জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুন নাহার বলেন, আপনারা পরে আসে। পুলিশের অনুমোতি নিয়ে আসে। আপনার এই আলামত নষ্ট করার জন্য এখানে আসেছেন। ফুটেজ প্রয়োজন হলে পুলিশের নিকট থেকে নেন। ঘরের ভিতরে ঢুকতে পারবেন না। এই বলে তিনি সাংবাদিকদের উপর চরাও হন এবং সাংবাদিকদের নিয়ে খারাপ মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ বিশ্বাস বলেন, এটা একটা অনাঙ্কাখিত ঘটনা। জেলা পরিষদ ডাক বাংলোতে এই ধরণের ঘটনা কোন দিন ঘটে নাই। প্রশাসনের লোকজন এসেছে তার তদন্ত করে বিষয়টি দেখছে। জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুন নাহার সাংবাদিকদের সাথে দূর্ব্যবহার সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার সামনেই তিনি এই সব কথা বলছেন। সাংবাদিকদের সাথে এমন ব্যবহার করা ঠিক হয়নি বলে তিনি জানান।
সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচারণের কারণে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হেলাল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক জাকিরুল ইসলাম সান্টুর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ এর নিকট কামরুন নাহারের বিরুদ্ধে মৌখিক অভিযোগ করেন। পরে সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে কামরুন নাহারের অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন করেন।
জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ বলেন, এর আগেই তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পেয়েছিলাম। আপনাদের বিষয়ে আমি মন্ত্রণালয় বরাবর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করবো।

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান