হোম » সারাদেশ » সোনাগাজীর আলোচিত মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার বাদীর সংবাদ সম্মেলন

সোনাগাজীর আলোচিত মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার বাদীর সংবাদ সম্মেলন

দাগনভূঞা(ফেনী)প্রতিনিধিঃ ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার বাদী মাহমুদুল হাসান নোমান ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
অপরদিকে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামিদের স্বজনরা রাফি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু, মামলাটি পূণঃতদন্ত, টাকা নিয়ে পিবিআই কর্তৃক নির্যাতন করে নির্দোষ আসামিদের ফাঁসানোর জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের বিচার দাবি করে রোবববার দুপুরে ফেনী প্রেসক্লাবের নিচে মানববন্ধন শেষে ফেনী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
রোববার সকালে মাহমুদুল হাসান নোমান ফেনী প্রেসক্লাবে দৈনিক সমকাল পত্রিকার সোনাগাজী প্রতিনিধি আবুল হোসেন রিপন ও বিদেশে অবস্থানরত সাংবাদিক ইলিয়াছ হোসেন সহ আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন। এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর তিনি একই দাবিতে সোনাগাজী মডেল থানায় জিডি করেন। জিডি নং-১৫০১, তাং- ২৯-০৯-২০২২খ্রিস্টাব্দ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি ও তার বোন নুসরাত জাহান রাফি ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল আগুন সন্ত্রাসের শিকার হওয়ার পর আবুল হোসেন রিপন তার ব্যক্তিগত ফেইসবুকে ”সোনাগাজীতে পেট্রোল ঢেলে মাদরাসা ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা” ভিডিও শিরোনামে একটি বিতর্কিত পোস্ট আপলোড করেন। ঘটনার পর হতে মামলা তদন্তাধীন সময়, বিচার কার্য চলাকালীণ সময়, মামলার বায় ঘোষণার আগে-পরে সহ গত বিগত বেশ কিছু দিন যাবৎ নুসরাতের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নানা বিতর্কিত মতামত ফেইসবুকে আপলোড করে যাচ্ছেন। সে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল ও দুষ্কৃতিকারীর দ্বারা প্রলুব্ধ হয়ে নুসরাত হত্যা মামলায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামিদের স্বজনদেরকে নানা প্রলোভনে প্রলুব্ধ করে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিদেশে অবস্থানরত সাংবাদিক ইলিয়াছ হোসেনকে দিয়ে তার ব্যবহৃত ইউটিউবে ভিডিও ক্লিপস (ট্রেইলর) আপলোড করে।
যা জনমনে বিভ্রান্ত্রি সৃষ্টি করেছে এবং নুসরাতের পরিবারের সদস্যদের জন্য মানহানি ও অবমাননাকর। ভিডিও ক্লিপ আপলোড করার পর আবুল হোসেন রিপনের প্ররোচনায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামির স্বজনরা গত ১ অক্টোবর সকালে সোনাগাজীতে মানববন্ধন করেন। এতে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। তিনি আরো বলেন, সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানাতে চাই তথ্য উপাত্ত, বিচার বিশ্লেষণ, মৃত্যুকালীণ জবানবন্দি, ৮৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, ছয়জন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, বাদী-বিবাদীদের পক্ষের আইনজীবীদের  যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক রায় প্রদান করেছেন। সংক্ষুদ্ধ পক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করার বিধান রয়েছে। রায়ের তিন বছর পর ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তদের স্বজনদের মাধ্যমে অবৈধ অর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে আদালতের ঘোষিত রায়কে জনমনে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি করার গভীর  ষড়যন্ত্রের অংশ। তাই তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!