হোম » সারাদেশ » মির্জাগঞ্জে রাস্তার উপর সাঁকো দিয়ে যাতায়াত,ভোগান্তি চরমে

মির্জাগঞ্জে রাস্তার উপর সাঁকো দিয়ে যাতায়াত,ভোগান্তি চরমে

এস কে মিন্টু মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ২ নং মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে পায়রা নদীর তীরবর্তী গ্রাম,সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পিঁপড়াখালীতে রাস্তার বেহাল দশা,ভোগান্তি চরমে। ওই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুলগামী কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীসহ শত শত সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে। প্রায় এক কিলোমিটার মাটির এ রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করিতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের ও এলাকার সাধারণ মানুষের। বর্ষার মৌসুম এলে কাঁদা ও আটু সমান পানি জমে থাকে রাস্তার উপর। রাস্তার এমতাবস্থার কারণে কোনো রিকশা ভ্যানগাড়ী চলাচল করিতে পারে না। ফলে ওখানকার কৃষকদের উৎপাদিত বিভিন্ন কৃষিপণ্য বিক্রির জন্য উপজেলার প্রধান বাজার গুলোতে নিতে চরম ভোগান্তি ও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,রাস্তার মাঝে মাঝে ছোট-বড় গর্তে বর্ষার পানি জমে আছে। রাস্তার কোন কোন স্থান বর্ষার পানিতে ডুবে পুকুরের ন্যায় সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজ উদ্যোগে রাস্তায় পুকুরের ন্যায় সৃষ্টি হওয়া স্থানগুলোর উপর বাঁশের একাধিক সাঁকো তৈরী করেছে। সেই সাঁকো দিয়ে ওই এলাকার প্রায় তিন শতাধিক পরিবারের লোকজন ও স্কুল পড়ুয়া কোমলমতি শিশুরা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে। ওই এলাকার বাসিন্দা মো.শাহরিয়া খান বলেন,রাস্তাটির এমন দশার কারণে চলাচল করিতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। দীর্ঘ বছর রাস্তাটি এমন অবস্থায় পরে আছে। রাস্তাটি জরুরী নির্মাণ প্রয়োজন।
এজন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। ওই রাস্তার নিকটতম স্থানে অবস্থিত পিঁপড়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্রী সুজিত চন্দ্র বলেন,রাস্তাটির এমতাবস্থার কারণে শিশুদের স্কুলে আসা-যাওয়া করিতে অত্যন্ত সমস্যা হচ্ছে। বাঁশের সাঁকো পাড় হতে গিয়ে মাঝেমধ্যে শিশুরা পা পিছলে পড়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। রাস্তার উপরে গর্ত খানাখন্দের পানিতে পরে শিশু শিক্ষার্থীদের সাথে থাকা বই খাতা ভিজে যায়,এবং কাঁদা মাটিতে শিশু শিক্ষার্থীদের পরিধানের জামা-কাপড় নোংরা হয়ে যায়। এলাকার শিশু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে রাস্তাটি দ্রুত নির্মাণ প্রয়োজন। এ রাস্তাটি পাকা হলে শিশুদের শিক্ষা গ্রহণে সুন্দর একটি পরিবেশ তৈরি হবে। ওই এলাকার ইউপি সদস্য মো.জুয়েল হোসেন বলেন,রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ। বর্ষাকালে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করিতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। রাস্তাটি অতিদ্রুত নির্মাণ দরকার। ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট আবুল বাসার (নাসীর) বলেন,রাস্তাটি আমার দৃষ্টিগোচরে আছে। রাস্তাটি দিয়ে মানুষ চলাচলে একেবারে অনুপযোগী হয়ে গেছে। যতদ্রুত সম্ভব রাস্তাটি নির্মাণ করা হবে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!