
এম,এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ ফেসবুকে পরিচয়। এরপর চ্যাটিং। এমনিভাবে মোবাইলে প্রেমের নানা প্রলোভন দিয়ে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার বাজারগাও গ্রামের ইবরাহিম হোসেনের কিশোর ছেলে জয়নাল (১৭) কে বগুড়ার শাজাহানপুরের আশেকপুর ইউনিয়নের পারতেখুর গ্রামে ডেকে এনে স্বামী পরিত্যাক্তা ও তিন সন্তানের জননী সখিনা বেগম (৪০) এর সাথে বিয়ে পড়িয়ে দিয়েছে এলাকার টাউটরা। তবে কাবিননামায় উল্লেখিত কাজী এবিয়ে রেজিষ্ট্রির কথা অস্বীকার করেছেন। ঘটনাটি জটিল হওয়ায় এ বিষয়ে ৯৯৯ ফোন করার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নাবালক ছেলেটিকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ জানায়, যেহেতু বিয়ে হয়েছে সে ক্ষেত্রে করার কিছুই নাই। আর বগুড়া আদালতের আইনজীবি রহিমা খাতুন মেরীর নিকট এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশের আইন অনুযায়ী বিয়ের বয়স ছেলেদের ক্ষেত্রে ২২ বছর এবং মেয়েদের ১৮ বছর। এ ক্ষেত্রে ছেলেটির বয়স কম এবং নাবালক। সেক্ষেত্রে অবশ্যই ছেলেটি প্রলোভন ও প্রতারনার শিকার হয়েছে। তাই আইনের দৃষ্টিতে এ বিয়ে অবৈধ ও অগ্রাহ্য। তাছাড়া অভিভাবকহীন নাবালক ছেলেটিকে যারা বিয়ে পড়িয়েছে এবং এর সাথে যারা জড়িত তাদেরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন,তিন সন্তানের মা অবশ্যই সাবালক। সে অবশ্যই নাবালক একটি ছেলেকে প্রলোভন না দিলে এতোদুর আসেনি। তাই ছেলেটিকে উদ্ধার করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করে বিচারের মুখোমুখি করা একান্ত প্রয়োজন। আর স্থানীয়রা বলছেন আইনের এ বাস্তবায়ন করবে কে।

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান