
বগুড়া প্রতিনিধি: গাবতলী উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের রানীরপাড়ায় সুদের টাকা দিতে না পারায় এক যুবক আত্মহত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ভিকটিমের বাবা-মাকে বাড়ির ভিতরে রেখে কারো সঙ্গে কোনো কথা বলতে না দেওয়ায় হত্যা কিনা এ রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। একইসাথে প্রভাবশালী ওই সুদ ব্যবসায়ীর সন্ত্রাসী বাহিনীরা সাংবাদিকদের দেখেই সংবাদ সংগ্রহে বাধা প্রদান করেন। তারা ভিকটিমের বাবা-মা সহ আত্মীয়-স্বজনকে কোনক্রমেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে দিচ্ছেন না। ভয়ে ভীত বাবা মাও তাদের ছেলে আত্মহত্যা করেছে মুখে বললেও তাদের ভিতরে আর্তনাদ মুখ দিয়ে বের হচ্ছে না ওই দাদন ব্যবসায়ীদের ভয়ে।
ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যক্তি জানান, রাণীর পাড়ার মোহাম্মদ জিন্নাত এর পুত্র সোহেল রানা (২৫) দিনমজুরি করে দিনাতিপাত করলেও সংসারের চাপে এলাকার সুদ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সুদের টাকা ধার নেন। সময়মতো এই টাকা ফেরত দিতে না পেরে এলাকার প্রভাবশালী এক সুদ ব্যবসায়ী তাকে বিভিন্নভাবে শাসিয়ে যায়। এরপরই সোহেল রানা আজ ১৬ মার্চ আনুমানিক সকাল ১১ টায় আত্মহত্যা করেছে বলে এলাকায় প্রচার হয়।
একই সাথে সোহেলের স্ত্রী রানীর পাড়ার মড়িয়া গ্রামের শুকরা মিয়ার মেয়ে জেরিনের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে ওই প্রভাবশালী দাদন ব্যবসায়ীর লোকজন সাংবাদিকদের সঙ্গে তার দেখা না করে অন্য বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। একই সাথে তারা জানান, এখন তাদের মানসিক অবস্থা ভালো নেই তারা কারও সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না। আইনি প্রক্রিয়া শেষ এখনি দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে আপনারা যান।
এ অবস্থায় গাবতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সিরাজুল ইসলাম কে বিষয়টি জানালে তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে আত্মহত্যার আলামত সংগ্রহ করেছে। তার পরিবারের দাবি সে আত্মহত্যা করেছে।

আরও পড়ুন
বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, গণনায় লেগেছে প্রায় দুই দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
নওগাঁয় সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা করায় যুবক আটক