হোম » সারাদেশ » বগুড়ার শেরপুরে  স্ত্রীর পরকীয়ার জেরেই খুন হন স্বামী  শহিদুল। 

বগুড়ার শেরপুরে  স্ত্রীর পরকীয়ার জেরেই খুন হন স্বামী  শহিদুল। 

এম,এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: স্ত্রীর পরকীয়ার জেরেই খুন হন বগুড়ার শেরপুরের শহিদুল ইসলাম(২৫)। ঘটনার দেড়  বছর পর খুনী মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ খন্দকার (৫৫), কে গ্রেফতার করেছে সিআইডি বগুড়া।বৃহস্পতিবার বিকালে শেরপুর উপজেলার জোড়গাছা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ খন্দকার শেরপুরের সূত্রাপুর আখেরি পাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।   ২০২০ সালের ৭ জানুয়ারি  স্ত্রীর পরকীয়ার জের ধরে বগুড়া শেরপুরের সূত্রাপুর আখেরি পাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে শহিদুল ইসলাম খুন হন।

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক শাহীন খন্দকার তার অপরাপর সহযোগীদের নিয়ে শহিদুলের বসত বাড়ির পানি ভর্তি ডোবায় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ ঘটনায় মৃত শহিদুল ইসলামের বড় ভাই নজরুল ইসলাম ৪ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করে  ১০ জানুয়ারি শেরপুর থানার মামলা নং ১৬ ধারা ৩০২/ ২০১/৩৪ পিসি  দায়ের করেন। ওই মামলার সাবেক তদন্তকারী অফিসার  শেরপুর থানার এসআই রুম্মান হাসান এজাহারনামীয় দুই জন আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে এজাহারনামীয়  অপর দুইজন আসামি এবং তদন্তে অভিযুক্ত আরও ৪ জনসহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে ২০২০ সালের ৩১মে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এজাহারনামীয় দুই জন আসামিকে অব্যাহতি দেওয়ার কারনে বাদি আদালতে নারাজি আবেদন করেন।  আদালত বাদীর নারাজি আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটির অধিকতর তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদান করতে সিআইডি বগুড়া জেলাকে নির্দেশ দেন।  আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ মামলাটি সিআইডি  অধিগ্রহণ করে তদন্তকারী অফিসার হিসাবে সিআইডি বগুড়া জেলার পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল হান্নান কে নিযুক্ত করা হয়।

সিআইডি বগুড়া জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার  মোহাম্মদ কাউছার সিকদার এর প্রত্যক্ষ দিক-নির্দেশনায় মামলার তদন্তকারী অফিসার  বিজ্ঞানভিত্তিক তদন্ত করে  বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শেরপুরের জোড়গাছা এলাকা থেকে মামলার মূল হোতা মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ খন্দকার কে গ্রেফতার করে।  গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে মামলার ঘটনা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত আছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে ।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!