
এম আর ওয়াসিম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ ভৈরবে মসজিদের নৈশ্য প্রহরী মো.কামাল মিয়া (৪৫) কে কুপিয়ে হত্যার ঘটবায় ৪ জন কে গ্রেফতার করেছে র্যাব- ১৪,সিপিসি ৩, ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা। ঘটনা সূত্রে জানা যায় গত ২রা ফেব্রুয়ারী বুধবার দিবাগত ভোরে ওমান এর নেতৃত্বে দেশী অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে কামাল মিয়া ও জাকির মিয়া কে।পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের কে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের অবস্থার অবনতি দেখে দুজনকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।পরে ঐদিনই রাত সাড়ে বারটায় কামাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করে। হয়। নিহত কামাল পৌর শহরের ঘোড়াকান্দা এলাকার মৃত লাল মিয়ার ছেলে। তার তিন মেয়ে দুই ছেলে। সে পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত ২৯ জানুয়ারি
পৌর শহরের ঘোড়াকান্দা এলাকায় শহরের ভৈরবপুর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী উমান মিয়া দলবলসহ একই এলাকার ঘোড়াকান্দার বাসিন্দা ছাত্তার মিয়ার বাড়ির লোকজনের সাথে মাদক ব্যবসা ও আধিপাত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্য সংঘর্ষ বাধে। এর পর থেকে সন্ত্রাসী ওমান তার দলবল নিয়ে রাতের বেলা প্রতিপক্ষসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়িতে দেশিয় অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন ধরণের হুমকি দেয় । এই ঘটনার পরই বুধবার ভোর রাতে সন্ত্রাসী উমান বাহিনী সাত্তার মিয়ার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ফেরার পথে স্থানীয় নিমাণার্ধীন মসজিদের নৈশ্য প্রহরী মো.কামাল মিয়াকে এলোপাতারিভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে তারা।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে পাঠালে তার অবস্থা খারাপ দেখে তাৎক্ষণিক ঢাকা মেডিকেলে হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার বিকেলে মৃত্যুবরণ করেন। উক্ত ঘনায় নিহতের ভাই জামাল বাদী হয়েএজাহার নামীয় মুক্তাদির(২৪), সাজন মিয়া (২৮) ফরহাদ মিয়া (২৬)
ও আহসান উল্লাহ(২৬) সহ অজ্ঞাত আরো ৮/১০ জন কে আসামী করে ভৈরব থানায় একটি মামলা দায়ের কর।
র্যার সূত্রে জনা যায় যে কামাল মিয়া ও জাকির মিয়ার সাথে মাদক ব্যবসায়ী ওমান ও তার সহযোগীদের সাথে দীর্ঘ দিন যাবত শত্রুতা পোষন করে আসছে। সেই শত্রুতার জের ধরেই এইনৃশংস হত্যা কান্ডটি ঘটেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল র্যাবের একটি অাভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভৈরবপুর উত্তর পাড়ার ওহিদ মিয়ার ছেলে মুক্তাদির,কমলপুরের মারফত আলীর ছেলে ফরহাদ, মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে সাজন মিয়াকে গ্রেফতার করে।
উক্ত গ্রেফতারকৃত আসামীদের কে ভৈরব থানার মাধ্যম কিশোরগঞ্জ জেল হাজতে পাঠানোর আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান ভৈরব র্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের। প্রেস বিজ্ঞপ্তির তিনি আরো বলেন উক্ত হত্যাকান্ডের মূলহোতা ওমান এখনো পলাতক রয়েছে। তাকেও গ্রেফতার করতে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল
ক্ষেতলালে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ৩১ পিস ট্যাপেনটাডলসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ