
স্থানীয় সূত্র জানায়, নিয়োগ কমিটি গোপনে একজন প্রধান শিক্ষক ও একজন নৈশ প্রহরী প্রার্থীর নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা লেনদেনের একটি প্রক্রিয়া হয়। এ বিষয়টি অন্য প্রার্থীদের মধ্য জানাজানি হলে তাদের মধ্যে কয়েকজন প্রার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের অবহিত করেন। পরে গণমাধ্যমকর্মীরা পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে নিয়োগ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। পরে কর্তৃপক্ষ নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করে দেন।
এ ব্যাপারে ডিজির প্রতিনিধি মো. কামাল পাশা বলেন, নিয়োগ বাণিজ্যের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে পরীক্ষা স্থগিতের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রার্থীদের পূর্ণ উপস্থিতি না থাকায় স্থগিত করা হয়েছে। এদিকে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. এলিজা সুলতানা বলেন, নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের ব্যাপারে আমি লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে প্রধান শিক্ষক পদে ১০ জন আবেদন করে দুই জন ও নৈশ প্রহরী পদে ৬ জন আবেদন করে ৩ জন কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন
শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাকিব রাইয়্যানের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল