হোম » প্রধান সংবাদ » রায়গঞ্জে গত দু’দিনে ভারী বৃষ্টিপাতে  দূর্ভোগে এলাকাবাসী

রায়গঞ্জে গত দু’দিনে ভারী বৃষ্টিপাতে  দূর্ভোগে এলাকাবাসী

মোঃ মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান: সামান্য একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায়। এ সময় রাস্তাটিকে মনে হয় হাল চাষ করা জমি। সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ৮নং পাঙ্গাসী ইউনিয়নের গ্রামপাঙ্গাসী চাঁনপাড়া থেকে মিরের দেউলমুড়া ছয়আনী ব্রিজ পর্যন্ত মাত্র ১ কিলোমিটার রাস্তাটি পাকা না হওয়ায় গ্রামের দুই সহ¯্রাধিক মানুষকে অবর্নীয় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রাস্তাটি পাকা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছে এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ২ হাজার মানুষের বসবাস গ্রামটিতে। গ্রামের ভিতর দিয়ে মাত্র ১ কিলোমিটার কাচা রাস্তা ধরে গেলে ছয়আনি ব্রীজ।

এই ব্রিজ থেকে পাকা সড়ক ধরে পূর্ব দিকে এলাকার ব্যবসা বানিজ্যের প্রাণকেন্দ্র হাটপাঙ্গাসী বাজার এবং পশ্চিম দিকে গ্রামপাঙ্গাসী বাজার। পড়াশনা করতে গ্রামের ছেলে মেয়েরা এই কাচা রাস্তা ব্যবহার করে গ্রামপাঙ্গাসী ডিগ্রী কলেজ এবং পাঙ্গাসী লায়লা মিজান স্কুল এন্ড কলেজে যাতায়াত করে থাকে। গ্রামটির অধিকাংশ মানুষ কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। গ্রামের একমাত্র রাস্তাটি কাচা হওয়ায় বৃষ্টি হলে হাট বাজারে কৃষিপন্য নিয়ে যেতে স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়।

গ্রামের বাসিন্দা এক ভ্যান চালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সামান্য একটু বৃষ্টি হলে কাচা রাস্তায় ব্যাপক কাদা হয়। তখন ব্যাটারি চালিত অটো ভ্যান, ভটভটি ও মটর সাইকেল এই রাস্তা দিয়ে চলতে পারে না। তাছাড়া বাই সাইকেল চালিয়েও যাওয়া যায় না। এমনকি হেঁটে চলাচল ও কঠিন হয়ে পড়ে। এদিকে অত্র গ্রামের বাসিন্দা আলহাজ্জ মো. মুজাম্মেল হক বলেন, ১০-১৫ বছর ধরে রাস্তাটা পাকা করে দেওয়ার কথা বলে আসতেছে আমাদের নেতাকর্মীরা। আজ পর্যন্ত সেই কাচা রাস্তা আর পাকা হলো না।

আমাদের দূর্ভোগও শেষ হলো না। আমার বয়স এখন ষাটের উর্ধে। মরার আগে রাস্তাটি পাকা দেখে যেতে পারবো কি না আল্লাহ ভালো জানেন। এদিকে উক্ত রাস্তাটির ব্যপারে পাঙ্গাসী ইউপি চেয়ারম্যান এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রাস্তাটির ব্যপারে আলোচনা করেছে। আগামী মাসের মধ্যেই জনগণের চলাচলের সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!