হোম » প্রধান সংবাদ » দেবী দুর্গার আগমনী বার্তায় ব্যস্ত  বগুড়া শেরপুরের প্রতিমা শিল্পীরা 

দেবী দুর্গার আগমনী বার্তায় ব্যস্ত  বগুড়া শেরপুরের প্রতিমা শিল্পীরা 

এম.এ রাশেদ (বগুড়া জেলা) প্রতিনিধিঃ শরতের আকাশে ভাসছে সাদা মেঘের ভেলা, প্রকৃতির সবুজের সমারোহে সাদা হয়ে কাশফুল দুলছে। শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে বগুড়ার শেরপুরের মৃৎশিল্পীরা।
গত ১ সেপ্টেম্বরে মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা। মহালয়ার সময় ঘোর অমাবস্যা থাকে। মহাতেজের আলোয় সেই অমাবস্যা দূর হয়। প্রতিষ্ঠা পায় শুভশক্তি। দুর্গাপূজার দিন গণনা এ মহালয়ার দিন থেকেই শুরু হয়।
শাস্ত্রমতে প্রতি বছরই মা কোনো না কোনো বাহনে চড়ে আসেন। পঞ্জিকা অনুযায়ী এ বছর দেবী আসছেন ‘দৌলায়’ চড়ে আর যাবেন ‘গজে’ চড়ে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এই ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা উৎসব শুরু হবে আগামী ২২ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে। আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিমা শিল্পীরা কল্পনায় দেবী দুর্গার অনিন্দ্যসুন্দর রূপ দিতে রাতভর চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ।
নিখুঁত হাতের কারুকার্য দিয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তৈরি করছে প্রতিমা। পূজার দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই যেন ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন শেরপুরের প্রতিমা শিল্পীরা। শুধু শেরপুরের শিল্পীরাই নয়, বিভিন্ন এলাকা থেকেও শিল্পীরা এসে বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজ করছে। তুলির আঁচরে মূর্ত হয়ে উঠছে দেবীর রূপ। এখন দম ফেলার সময় নেই মৃৎশিল্পীদের।
এ উৎসবকে ঘিরে দেবী দুর্গা ও অসুরের রণযুদ্ধের ঘটনাগুলোর সংক্ষিপ্ত পৌরাণিক কাহিনি মূর্তির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলছে তারা। তবে এ বছর করোনা ভাইরাসের কারণে প্রতিটি মন্দিরে ২২ টি নির্দেশনা দিয়েছেন পুলিশ প্রশাসন সহ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটি। এর ফলে কিছুটা নিয়মের মধ্যে দিয়ে মাতৃবন্দনা করবেন সনাতন ধর্মালম্বীরা বলে জানা গেছে। শেরপুর উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নিমাই ঘোষ জানান, এ বছর শেরপুর উপজেলায় মোট ৮০টি পূজামন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!