হোম » অপরাধ-দুর্নীতি » বগুড়া শেরপুরে ড্রেন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ

বগুড়া শেরপুরে ড্রেন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ

এম.এ রাশেদ, বগুড়া প্রতিনিধিঃ  বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার ধুনটমোড় মহাসড়ক থেকে পূর্বে করতোয়া নদী পর্যন্ত সড়ক বিভাগের অধিনে মাষ্টার ড্রেন নির্মান কাজে  নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসীরা। ধুনটমোড় সড়ক বিভাগের অধিনে চারফিট প্রশস্থ এবং ৩৩৩ মিটার দৈর্ঘ ওই ড্রেন নির্মান সহ দুইটি কাজের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ কোটি ৩২লাখ টাকা।
এদিকে ড্রেন নির্মান কাজ নিয়ে খুলনা জেলার মোজাহার এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন স্থানীয়রা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার আতিকুর রহমান এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি উত্তেজিত কন্ঠে বলেন অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি জানান, ধুনট মোড় রাস্তার পাশে ড্রেন নির্মান কাজের জন্য শেরপুরের জনৈক এক ব্যক্তিকে ইট-বালু সাপ্লাইয়ের কাজ দেয়া হয়। এরপর ওই সাপ্লায়ার এক ট্রাক নিম্নমানের ইট দিলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেই ইট পরিবর্তন করা হয়। সেখানে প্রায় তিন সপ্তাহ আগে থেকে এই নির্মান কাজ শুরু হয়।
স্থানীয়রা জানায়, নান্বার বিহীন ইট, পুরাতন নিম্নমানের ইটের খোয়া, মেয়াদ উত্তীর্ন সিমেন্ট নিয়ে আসেন ঠিকাদারের লোকজন। ওই সকল নিম্নমানের ইট, খোয়া, সিমেন্ট দিয়ে ড্রেনের তলায় সলিং এর কাজ করা হয়। নির্মান কাজে জড়িত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজমিস্ত্রিরা জানায়, নান্বার বিহীন ইট দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এলাকার  নজরুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সবুজ মিয়া জানায়, আমরা বারবার অভিযোগ আকারে প্রজেক্ট ম্যানেজার আতিকুর রহমানকে জানালেও তিনি কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে নিম্নমানের ইট খোয়া দিয়ে ড্রেনের কাজ করায় অতি অল্প সময়ে ড্রেনটি ধসে পড়তে পারে। ফলে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেক্ষেত্রে সামান্য বৃষ্টির পানিতে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ আবারও বাডবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শেরপুর-ধুনট সড়কের শেরপুর উপজেলার খানপুরের বোয়ালকান্দি গ্রামের বেইলি ব্রিজের স্থানে সওজের পক্ষ থেকে সেখানে একটি আরসিসি ব্রিজ নির্মান কাজ একই প্যাকেজে আলাদা আইটেমে ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে। এজন্য দুইটি কাজের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ কোটি ৩২লাখ টাকা। বোয়ালকান্দিতে রাস্তার পাশে ড্রাইভারশন কাজে শেরপুরের ধুনট মোড় থেকে পুরাতন ড্রেনের ইট ও মাটি ওই নির্মান কাজের স্থলে স্তুপাকারে রাখা হয়েছে। এদিকে কেন  নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে এনিয়ে কথা বলতে নারাজ বগুড়া সওজ বিভাগের এসও বাবুল হোসেন। বিষয়টি নিয়ে তার সেল ফোন ০১৭১২ ২৩৬২২৯ বার বার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!