
পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
রংপুর-বগুড়া মহাসড়ক যেন এখন কৃষকদের ধান, খড় ও ভুট্টা শুকানোর জন্য যেন চাতালে পরিণত হয়েছে। মহাসড়কের পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর এলাকার প্রায় ৫০ কিলো মিটার জুরে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে । ফলে যান চলাচল অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রংপুর শহরের অনতিদুরে মিঠাপুকুরের দমদমা ব্রীজ থেকে পীরগঞ্জের বিটিসি পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলো মিটার মহা সড়কের দুই পার্শে অবাধে ধান, গম ও ভুট্টা শুকানোর কাজ চলছে । রাস্তায় অসংখ্য খড়ের গাদা । দু’পার্শের গ্রামবাসীরা মহাসড়কের ওপরই যান্ত্রিক মেশিন দিয়ে ধান ও ভুট্টা মাড়াই করছেন। মাড়াই শেষে খড় ও ধান সড়কেই শুকানো হচ্ছে । এ পরিস্থিতির কারনে ৪ লেন বিশিষ্ট মহাসড়কের দু’পাশের্^ হালকা যানবাহন চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়েছে । এসব যানবাহন উঠে পড়ছে ভাড়ী যানবাহন চলাচলের জন্য নির্ধারিত মুল সড়কে । কোন কোন স্থানে মুল সড়কেও শুকানো হচ্ছে খড়। সার্বিক এ পরিস্থিতির কারনে পুরো মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল ঝুকিপুর্ণ হয়ে উঠেছে ।
বাসচালক জামাল, কায়সার ও মহিদুল ট্রাকচালক ইসমাইল, আনোয়ার ও জাহাঙ্গীর এর মতে মহাসড়কের মুল লেনে হালকা যানবাহন ও খড় শুকানোর কারনে ভয়ের মধ্যে দিয়ে গাড়ী চালাতে হচ্ছে। কি জানি কখন দুর্ঘটনা ঘটে ?
কৃষক নজরুল ইসলাম, সহিদুল এর মতে বাড়ির সামনে এখন তেমন ফাঁকা জায়গা নেই। তাই বাধ্য হয়ে মহাসড়কেই ধান শুকাতে হচ্ছে। গৃহীনী জোসনা বেগম ও আসমা বেগম এর মতে অনেকে পাকা রাস্তায় ধান শুকাচ্ছে, তাই তারাও শুকাচ্ছে ।
এ বিষয়ে বড়দরগাহ হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, আমরা মানুষকে বারংবার বুঝাচ্ছি, নিষেধ করছি, কিন্তু কাজ হচ্ছে না।
রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান এর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন অথ্যাৎ যাদের হাতে পুলিশিং ক্ষমতা আছে তাদের এ বিষয়টি দেখা উচিত ।

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আত্রাইয়ে দুই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গৃহবধূর পা বিচ্ছিন্ন
আড়ানী ডিগ্রি কলেজে ৩১টি নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রদান