
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করে। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি হত্যাকাণ্ডের দিন অভিযুক্ত তাহের স্থানীয় একটি দোকান থেকে জুস কিনে নিয়ে যায়। তদন্তে সন্দেহভাজনদের তালিকায় তার নাম উঠে আসায় পুলিশ তার ওপর নজরদারি শুরু করে।
পুলিশ জানায়, খোঁজ নিয়ে জানা যায় আবু তাহের ফারাসপুর গ্রামে একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে, অভিযুক্ত তাহের সেদিন সকালেই কুষ্টিয়ায় পালিয়ে যান। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া পুলিশের সহযোগিতায় একই দিন মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ধর্ষণের কোনো আলামত রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষায় ভুক্তভোগী তাবাসসুমের শরীরে ধর্ষণের আলামত পেয়েছেন।
প্রেস ব্রিফিং শেষে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ প্রধান অভিযুক্তকে নিয়ে আলামত উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ফারাসপুর গ্রামের চিত্ত নদীর পাড় থেকে নিহত শিশু তাবাসসুমের একটি স্যান্ডেল এবং অভিযুক্ত তাহেরের পরিহিত লুঙ্গি উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, বারো বাজার এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জুম্মার নামাজের পর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। তারা শিশু তাবাসসুমের হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, বিশেষ করে ফাঁসির দাবি জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন
বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, গণনায় লেগেছে প্রায় দুই দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
নওগাঁয় সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা করায় যুবক আটক