
লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় দুই দলের নেতাকর্মীরা পৃথক সংবাদ সম্মেলনে একে অপরকে দায়ী করেছেন। গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে জামায়াত এবং বিকালে বিএনপি পৃথক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার জন্য একে অপরকে দায়ী করেন।
এর আগে, গত রোববার বিকেলে নির্বাচনি প্রচারের সময় জামায়াতের এক নারী কর্মীর হিজাব খুলে পরিচয় চাওয়াকে কেন্দ্র করে উভয় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটে। এতে সাংবাদিকসহ উভয় দলের প্রায় ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হন।
হাতীবান্ধা উপজেলা জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমাদের মহিলা কর্মীরা ভোটের প্রচারণায় গেলে তাদের হিজাব খুলে নিতে চায় বিএনপির লোকজন, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এক কর্মী মোবাইল ফোনে ভিডিও করতে গেলে তার ফোন কেঁড়ে নিয়ে মারধর করা হয়। তারা বাড়িতে ঢুকে চারটি মোবাইল, একটি ল্যাপটপ এবং চারটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে। আমাদের ৮-১০ নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আমরা এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেব।
জেলা জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি তামান্না বেগম বলেন, আমাদের নারী কর্মীদের শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। তাদের সম্মান হিজাব খুলে নিতে চাওয়া হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
অপরদিকে, বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে হাতীবান্ধা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের এক কর্মীর বাড়িতে দাঁড়িপাল্লার কয়েকজন বোরকা পরিহিত মহিলা ভোট চাইতে গিয়ে বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে, আপনার স্বামী ও সন্তান বেহেশত নিতে পারবেন না।’ কসম দিয়ে বলছি, যদি আপনার স্বামী বা অন্য কেউ এ কথা বলেন, তাদের ক্ষতি হবে।
তিনি আরও বলেন, ওই বাড়ির গৃহিণী জামায়াত কর্মীদের বলেন, ভোট দিয়ে কখনো জান্নাত পাওয়া যায় না। তারা হুমকি দিয়ে পরে গুজব ছড়ায় যে বিএনপি কর্মীরা মহিলা কর্মীদের হিজাব খুলতে বলেছেন।
এ সময় জামাত-শিবিরের লোকজন নিরীহ এলাকাবাসীর উপর হামলা চালায়। আমাদের লোকজন গেলে তাদেরকেও মারধর করা হয়। এতে প্রায় ১০–১২ জন বিএনপির নেতাকর্মী আহত হন। আমরা এর

আরও পড়ুন
বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, গণনায় লেগেছে প্রায় দুই দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
নওগাঁয় সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা করায় যুবক আটক