হোম » সারাদেশ » ট্রেনের সময়সূচী পূণঃবিন্যাস ও রুট পরিবর্তনের দাবীতে আবেদনপত্র হস্তান্তর

ট্রেনের সময়সূচী পূণঃবিন্যাস ও রুট পরিবর্তনের দাবীতে আবেদনপত্র হস্তান্তর

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি:
বৃটিশ আমল থেকেই নিরাপদ রেলনেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর জেলা। সেই জামালপুর জেলাশহর এবং সরিষাবাড়ী উপজেলার পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার পূর্বাঞ্চল মুনসুর নগর ইউনিয়ন, চরগিরিস ইউনিয়ন ও মাদারগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ ট্রেনে চলাচল করে থাকে। বাজে টাইমিং, জায়গায় জায়গায় বিরতি, নিম্নধাচের লোকোমোটিভ ব্যবহারের কারণে আন্তঃনগর জামালপুর এক্সপ্রেস এবং আন্তঃনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌছেছে। এই দুটি ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যরাতে ঢাকায় পৌঁছানোর পর নিরাপত্তাহীনতার কারনে স্টেশনে বসেই রাত কাটাতে বাধ্য হন। যারাও ঝুকি নিয়ে মাঝরাতে রাজধানী শহরে প্রবেশ করেন তারা ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে বিভিন্ন দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন বলে জানাগেছে।
উপজেলার যাত্রীসাধারণের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, ভোগান্তি লাঘব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সরকারের রেলপথ মন্ত্রনালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা বরাবর একটি আবেদনপত্র জমা দেয়া হয়েছে। জামালপুর এক্সপ্রেস (৮০০) ট্রেন পূর্বের টাঙ্গাইল-ইব্রাহিমাবাদ-জামালপুর রুটে ও সময়সূচী পূনর্বহাল, অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (৭৩৫) ট্রেনের সময় পরিবর্তন, পুরনো কোচ পরিবর্তন করে আধুনিক, আরামদায়ক ও মানসম্মত কোচ সংযোজন করার দাবী নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সরিষাবাড়ী উপজেলার মূখ্য সংগঠক আসাদুজ্জামান আসাদ, সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন, আজিজুল হক রুদ্র এ আবেদনপত্র হস্তান্তর করেন। বিষয়টি নিয়ে তারা রেলওয়ের ডিজির সাথে মতবিনিময় করেন বলে জানাগেছে।
উল্লেখ্য, সরিষাবাড়ী উপজেলা হতে গত ২০১২ ইং সালে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে তারাকান্দি-ভূঁঞাপুর-যমুনা সেতু পর্যন্ত ৩৩ কিলোমিটার লিংক রেলপথ চালু হলেও তার সুফল পায়নি জামালপুর, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর, গোপালপুরসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের পাঁচ জেলার মানুষ।
সাংবাদিক হাবিবুল হাসান রিজভী বলেন, জগন্নাথগঞ্জ ঘাট হতে যমুনাসেতু পূর্ব পর্যন্ত নতুন লিংক রোড ২০২০সালে জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেন চালু ছাড়া দৃশ্যমান উন্নয়ন আর চোখে পড়েনি। বর্তমানে জামালপুর এক্সপ্রেস এবং অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিয়মিত শিডিউল বিপর্যয় যাত্রীদের ট্রেন বিমুখ করে তুলেছে। এই অঞ্চলের ট্রেনদুটির যাত্রীবান্ধব পরিবেশ তৈরীতে প্রয়োজন এখন কার্যকর শিডিউল ব্যবস্থার। বিশেষ করে জামালপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে পুরাতন রুটে(ঢাকা-টাঙ্গাইল-জামালপুর) ফিরিয়ে দেওয়া এবং এর শিডিউলটি পরিবর্তন করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!