
পিরোজপুর সংবাদদাতা
সম্প্রতি পুলিশ বাহিনীর তিনজন সদস্য নিয়মানুযায়ী নবীর সুন্নাত দাঁড়ি রাখার জন্য আবেদন করে। দীর্ঘদিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরও লিখিত অনুমতি না পাওয়া গেলেও তারা দঁড়ি সেভ করা বন্ধ করে অপেক্ষার প্রহর গুনতে থাকেন। ইতোমধ্যে তাদেরকে দাঁড়ি অবস্থায় দেখে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ শোকজ করেছেন। যা বাংলাদেশের মত শতকরা নব্বই ভাগ মুসলিম অধ্যুসিত স্বাধীন দেশে নিতান্তই গর্হিত ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ, যা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।
বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর আমীর ও ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন (মা.জি.আ.), সোমবার (২৫ আগষ্ট) এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, যে পুলিশ কর্মকর্তা এ আস্ফালন দেখিয়েছে, তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া উচিৎ। দাঁড়ি রাখা নবীর সুন্নাত হওয়ার পাশাপাশি শিয়ারে ইসলাম বা ইসলামের নিদর্শন। সেহেতু একটি স্বাধীন মুসলিম দেশে ইসলামের প্রতি অবমাননা বরদাশত করা যায় না।
মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন বলেন- ব্যক্তি বিশেষের আমলী ত্রুটি থাকতে পারে, কিন্তু কেউ আমল করতে চাইলে তাকে বাঁধা দেয়া চরম নাফরমানীর শামিল। তিনি বিষয়টি তদন্ত পূর্বক অপরাধীদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ সরকারের প্রতি আহবান জানান।

আরও পড়ুন
বগুড়ায় ২ বছরের শিশুকে অপহরণ চেষ্টা, প্রতিবাদ করায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা
বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, গণনায় লেগেছে প্রায় দুই দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার