হোম » সারাদেশ » নওগাঁয় ভাইরাল হাসাইগাড়ি বিলটি অবৈধ নেশা অনৈতিক কার্যকলাপের অভয়াশ্রম  হিসেবে সেল্টার দিচ্ছে

নওগাঁয় ভাইরাল হাসাইগাড়ি বিলটি অবৈধ নেশা অনৈতিক কার্যকলাপের অভয়াশ্রম  হিসেবে সেল্টার দিচ্ছে

জাহিদুল হক মিন্টু, নওগাঁ প্রতিনিধি: জেলা সদর হতে অতি নিকটে হাঁসাইগাড়ি বিলটি মূল শহর থেকে মাত্র ৪০ টাকা টমটম ভাড়া পথি মধ্যে ঐতিহাসিক দুবলহাটি রাজবাড়ী অবস্থিত, কথায় বলে এক টিকিটে দুই ছবি দেখা  ইতিমধ্যে দেশ-বিদেশে বিলটি ভাইরাল বিল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে ।কেউ কেউ আবার মিনি কক্সবাজার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। দেশের সর্বস্তর থেকে  বিভিন্ন ভ্রমণ পিয়াসুরা পরিবার পরিজন নিয়ে আসেন,  ইউটিউবার, টিকটকার রেস বাইকার,ব্যান্ড সংগীত শিল্পীদের উপস্থিতিতে সরব থাকে পুরো সপ্তাহ তবে শুক্রবার শনিবার দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়ে,  সরু রাস্তার কারণে ব্যপক যানজট সৃষ্টি হয়, এতে করে সাধারণ পথচারিদের পথ চলা স্থবির  হয়ে পড়ে এমন কি ৩ থেকে ৪ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

কারণ হিসেবে যেটি দেখা যায়,  অপরিকল্পিত ভাবে  অসংখ্য দোকানপাট হোটেল, গ্যারেজ যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং অত্যাধুনিক দুটি রেস্টুরেন্ট ও  গড়ে উটেছে। উড়তি বয়সের, মাঝ বয়সের ছেলে মেয়ে ও  তরুন তরুণী, কপোত কপতিদের  সমাগম ও কম নেই তারা সেখান থেকে ছই ও পর্দা আলা নৌকা রিজার্ভ করে ১০০ টাকার ভাড়া ১০০০ হাজার টাকা দিয়ে এতেই মাঝি নিরব, তাদের চোখ বন্ধ হয়ে যায়  প্রতিটি নৌকা  প্রায় ৪ থেকে ৫টি  করে টিপ করে যেখানে নৌকা রয়েছে অগণীত প্রত্যেকেই প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা ভাড়া মারেন, নৌকার গ্রাঁম ওয়ারি  সদ্দার হিসেবে  চুয়ার পাড়ার  প্রভাবশালী বাবু,  আব্দুল হাই, হাঁসাইগাড়ির  রুবেল, মকছেদ ভোদো, খামার গোয়ালির মাঝিরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

 স্থানীয় সচেতন মহলের মন্তব্য,
 ভ্রমন প্রিয়াসুরা আসবে পরিবার নিয়ে দিনে নৌকা ভ্রমন করবে এটা তো ভালো কথা কিন্তু যুবক যুবতিদের নিয়ে রাতে নৌকা ভাড়া করে খালের পাড়ে সময় কাটাবে এটাতো হতে দেওয়া যায়না।এতে করে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে আমাদের ও ছেলে মেয়ে আছে তারা ঘুরতে গিয়ে অবৈধ মেলা মেশা দেখলে তারা ও নষ্ট হয়ে যাবে যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে।অচিরেই উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি ও বিলের পরিবেশ রক্ষার্থে একটি স্বেচ্ছাসেবী টিম বা সংগঠনের দাবি জানাচ্ছি। সেখানে সদস্য হিসেবে ক্লিন ইমেজের স্থানীয় যুবকেরা  অত্র এলাকার  গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সমাজ সেবক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী  সাংবাদিক, মাঝিদের সভাপতি স্থানীয়  চেয়ারম্যান সদস্য হবেন পরিচালনা করবেন।
 উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন  মিলে এই কমিটি নিয়ন্ত্রণ করবেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন আমরা শুক্রবার শনিবারে  সেখানে ট্রাফিক পাঠানো হয় বুঝানোর ক্ষেত্রে দুই একটা মোটরসাইকেল আরহিকে মামলা ও দেওয়া হয়  সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলে তো আর আমরা কাউকে ধরতে পারি না ।
সদর উপজেলা নির্বাহী ইবনুল আবেদিন বলেন, ইতি মধ্যে আমি এসি ল্যান্ড মহোদয় কে নলেজে দিয়েছি অচিরেই সে একটি ভ্রাম্যমান দিবে  তার অসুস্থতা জনিত কারণে একটু বিলম্ব হচ্ছে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!