
মোহাম্মদ হানিফ নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিতর্কিত প্রধান শিক্ষক নোমান উদ্দিন গোপনে ও এডহক কমিটির সভাপতির নামের সাথে তার তিনজন পারিবারিক আত্মীয়র নাম পাঠিয়ে শিক্ষা বোর্ড থেকে কমিটি অনুমোদন করিয়ে নেন।
এডহক কমিটি বাতিল ও কমিটি কর্তৃক প্রধান শিক্ষকের অবৈধভাবে পুন:নিয়োগ বাতিল চেয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লাসহ সংশ্লিষ্ট দফতারে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩১ জানুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে সোনাইমুড়ীর কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নোমান উদ্দিন নিমানুযায়ী অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে।কিন্তু এডহক কমিটি নিয়ম বহিভূতভাবে চাকুরীতে পুন নিয়োগ দিয়েছেন। বিতর্কিত প্রধান শিক্ষক ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর স্কুলের সবার কার্যবিবরণী রেজুলেশন কাটাছেঁড়া করে দারুন ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় জাল সার্টিফিকেট দিয়ে আর্থিক সুবিধা নিয়ে কণিকা রানী রায়কে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন। এডহক কমিটি করার সময় গোপনীয়ভাবে সভাপতি নামের সাথে তার নিজ পরিবারের ৩ জন আত্মীয়র নাম বোর্ডে পাঠান।
এডহক কমিটি বাতিল ও কমিটি কর্তৃক প্রধান শিক্ষকের অবৈধভাবে পুন:নিয়োগ বাতিল চেয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লাসহ সংশ্লিষ্ট দফতারে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত অভিযোগ জমা দেন।গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক বিষয়টি সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
সোনাইমুড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজিমুদ্দিন জানান,ইউএনও তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। এখনো তিনি তদন্ত করেননি। কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক নোমান উদ্দিন জানান, কেউ ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযোগ দিলে কিছুই করার নেই। এডহক কমিটি বোর্ড অনুমোদন দিয়েছে।স্কুলের শিক্ষক কণিকা রানী রায়ের নিয়োগ নিয়ে আদালতে মামলা হয়। এই মামলাটি ওই শিক্ষকের পক্ষে রায় হয়।

আরও পড়ুন
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ
নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান
দশ মাসের আত্মগোপনের অবসান: র্যাবের অভিযানে ধরা মমিনুল হত্যা মামলার আসামি