হোম » সারাদেশ » নওগাঁয় প্রতিবন্ধী শিশুদের তৈরি ব্লক প্রিন্টের পোশক বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন  

নওগাঁয় প্রতিবন্ধী শিশুদের তৈরি ব্লক প্রিন্টের পোশক বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন  

জাহিদুল হক মিন্টু, নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর আশার আলো অটিস্টিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিশুদের তৈরি করা ব্লক প্রিন্টের পোশাক বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার দুপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ব্লক প্রিন্টের পোশাক বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল।
এছাড়া একই দিনে  নওগাঁ শহরের জেলখানার মোড় এলাকায় অবস্থিত আশার আলো অটিস্টিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত এই উৎসবে অভিভাবকদের তৈরি করা হরেক রকমের পিঠা-পুলি-পায়েস প্রদর্শন করা হয়। দিনব্যাপী এ উৎসবে নকশা পিঠা, ঝিনুক পিঠা, পাখান, জামাই পিঠা, দুধ পুলি, ক্ষির সন্দেশ, সুজির পাটি সাপ্টা, পায়েসসহ প্রায় ৩০ রকমের পিঠার প্রদর্শন করা হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অটিস্টিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুদের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হরেক রকমের পিঠা-পুলির সাথে পরিচয় করানোর উদ্দেশ্য এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
প্রতিবন্ধী শিশুদের হাতে তৈরি ব্লক প্রিন্টের পোশাক বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন এবং পিঠা উৎসবে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও আশার আলো বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সাদিয়া আফরিন। অন্যদের মধ্যে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক নূর মোহাম্মদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ডা. ময়নুল হক দুলদুল, বিএনপি নেতা শুকুর আলী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নওগাঁর ছাত্র প্রতিনিধি আরমান হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আশার আলো অটিস্টিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওছিম উদ্দিন বলেন, ‘গত এক বছর ধরে আমার বিদ্যালয়ের অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে কাপড়ে প্রিন্টের ছাপ দেওয়ার কাজ করছে। তাদের তৈরি ব্লক প্রিন্টের পোশাকের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ব্লক প্রিন্টের কাজ করে শিক্ষার্থীদের বাণিজ্যিকভাবে লাভবান করার উদ্দেশ্যে একটি বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন করা হলো। এই বিক্রয় কেন্দ্র ছাড়াও অনলাইনে পোশাক বিক্রির ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের অংশগ্রহণে এবারও বিদ্যালয়ে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। অটিস্টিক ও শিশুদের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়াই আমাদের উৎসবের উদ্দেশ্য।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!