হোম » সারাদেশ » সেনাইমুড়ীতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট,খোয়া ব্যাপক অনিয়ম  

সেনাইমুড়ীতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট,খোয়া ব্যাপক অনিয়ম  

মোহাম্মদ  হানিফ  (নোয়াখাীর)  প্রতিনিধি: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জিএমপি-৩ প্রকল্পে সড়কটির নির্মাণ অধীন গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।  নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে  ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ইটের গুঁড়া দিয়ে সড়ক নির্মাণ করায় কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এলাকাবাসী।  মঙ্গলবার  বেলা ১২টার দিকে এলাকাবাসী সড়কের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।
জানা যায়, জিএমপি-৩ প্রকল্পে সড়কটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। বারগাঁও ইউনিয়নের কল্পাপোড়া বাজার থেকে পশ্চিমে মিয়াপুর গ্রামের ইটের রাস্তা সলিং পর্যন্ত ১৮০০ মিটার সড়কে ইটের গুঁড়া ও বালির পরিবর্তে মাটি দিয়ে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যায়। রাস্তার পাশে অ্যাজিংয়ে ১নং ইট দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ৩নং ইট ব্যবহার করা হয়েছে। কালভার্ট নির্মাণে নিম্নমানের ইট, বালি ও সিমেন্ট দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে একাধিকবার এলাকাবাসী উপজেলা প্রকৌশলী ইমদাদুল হকের কাছে অভিযোগ করেও কোনো সুফল পাইনি বলে জানা যায়।
এলাকাবাসী ফরহাদ, মাইনুল, গিয়াস উদ্দিন ও রুবেল জানান, ঠিকাদার এই প্রকল্পটি কাজ শুরুতেই অনিয়ম করে আসছে। নিম্নমানের ইট, কংক্রিটের পরিবর্তে ইটের গুঁড়া দিয়ে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যায়। নরম মাটি ফেলে রাস্তার পাশ বাড়ানো হয়েছে। এতে নির্মাণ কাজ শেষ হতেই ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঠিকাদার
আলম তার নিজস্ব মালিকানাধীন ইটেরভাটা থেকে পরিত্যক্ত ইটের গুঁড়া এনে রাস্তার নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসনকে একাধিকবার জানালেও তারা কর্ণপাত করেনি। ঠিকাদার ও তার লোকজনকে কাজ বন্ধ করতে একাধিকবার বললেও তারা শোনেননি।  মঙ্গলবার
বেলা ১১২টার   দিকে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে রোলার ড্রাইভারকে কাজ বন্ধ করতে নির্দেশ দেন। স্থানীয়রা আরও জানান, সড়কের নির্মাণ কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করায় এলাকাবাসী প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে ঠিকাদার তার সহোদর যুবলীগ নেতাকে দিয়ে এলাকাবাসীকে ভয়-ভীতি দেখাচ্ছেন।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোমেনা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আলম জানান, সড়ক নির্মাণে কোনো ধরনের অনিয়ম হচ্ছে না। তবুও স্থানীয় এলাকাবাসী মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে সড়কের কাজ বন্ধ করে দেন। পরে খবর পেয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ইমদাদুল হক প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন।
সোনাইমুড়ী উপজেলা প্রকৌশলী ইমদাদুল হক বলেন, সড়কে নির্মাণসামগ্রী নিম্নমানের দেওয়ার অভিযোগে এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেয়। পরে তিনি প্রকল্প এলাকায় গিয়ে পরিদর্শন করেছেন। কংক্রিটের পরিবর্তে ইটের গুঁড়া দেওয়ার সত্যতা পেয়েছেন। সেগুলো সরিয়ে ভালো কমপ্লিট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঠিকাদারকে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!