হোম » সারাদেশ » বগুড়া জেলা কৃষক দলের সভাপতির পক্ষে পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন

বগুড়া জেলা কৃষক দলের সভাপতির পক্ষে পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন

এম,এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ বগুড়া জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রনির পক্ষে রবিবার (১৯ই জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন গাবতলীর সুখানপুকুর গ্রামের নুরুল হুদার ছেলে আনোয়ার হোসেন রিপন।
তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন “আমি আমার এলাকার জৈনক ব্যক্তির মাধ্যমে জানতে পারি যে বরেন্দ্র গভির নলকূপের অপারেটর নিয়োগ হচ্ছে। এমন কথা জানার পর আমি বরেন্দ্র অফিসে যোগাযোগ করি এবং নির্দিষ্ট সময়ে মধ্যে আবেদন করি। আবেদনের প্রেক্ষিতে আমাকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য বরেন্দ্র অফিস থেকে আমাকে ফোন দেওয়া হয়।
মৌখিক পরীক্ষার অংশ গ্রহণ করে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই। উপরোক্ত বরেন্দ্রের আগেকার অপারেটর হিসেবে নিয়োযিত ছিলেন জনাব শাকিরুল ইসলাম। সে একজন সরকারি কর্মকর্তা। সমবায়ের অফিসার। নিয়ম অনুযায়ী কোন সরকারি কর্মকর্তা অপারেটর হতে পারে না। তাই সাকিরুল কৌশল করে তার মেয়েকে দিয়ে অপারেটর পদে আবেদন করে এবং সাকিরুলের মেয়ে উক্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় নাই।
তাই সাকিরুলের পরিবারের লোকজন ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে। এতেও তারা ক্ষান্ত হয় নাই। সাকিরুল এর পরিবারের লোকজন বগুড়া জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল হক মনজুর ভাবি বাবলি আক্তারকে দিয়ে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করে। যেখানে জেলা কৃষকদলের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম রনিকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছেন।
যেখানে সাইফুল ইসলাম রনি কোনভাবেই জড়িত নন আমি বাবলি আক্তার কে প্রশ্ন রাখতে চাই এমন তথ্য কোথা থেকে পেলেন। যেহেতু ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম রনি একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সামাজিকভাবে সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ দলের পোস্ট সহ সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত আছেন। উনি বগুড়া করতোয়া রোটারি ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
পাশাপাশি উনি সাবেক ছাত্রনেতা, যুব নেতা। বর্তমানে বগুড়া জেলা কৃষকদলের আহবায়ক ও বগুড়া জেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক। সবচেয়ে বড় কথা হল এই বাবলী আক্তারের সাথে বরেন্দ্র নলকূপ এর কি সম্পর্ক? যেখানে আমার মৌখিক পরীক্ষায় প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিলেন সাকিরুলের মেয়ে। আমার মনে হয় সম্মান সংবাদ সম্মেলন করার ইখতিয়ার সাকিরুলের মেয়ের। আমার প্রশ্ন কিভাবে বাবলি আক্তার সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হচ্ছে আমার নিজস্ব কোন জমিজমা নাই। অথচ আমার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ৪৬ শতাংশ জমি গভীর নলকুপের সঙ্গেই আছে। এছাড়াও আমার দাদার গোষ্ঠির ঐ নলকুপের মধেই ৪০-৫০ বিঘা জমি আছে। অভিযোগ কারীর স্বামী কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলনা। কিন্তু তার ভাই মোঃ মঞ্জুরুল হক মঞ্জ বগুড়া জেলা আওয়ামী কৃষক লিগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপারেটর নিয়োগ হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হচ্ছে টিএম শফিকুল ইসলাম টাকা দিতে বলতেছেন। কিসের ভিত্তিতে তিনি এসব বলছেন? টিএম শফিকুর ইসলাম কারোই ফোন রিসিভ করেনা এবং কথাও বলেনা। তাহলে এসব তথ্য কিভাবে এলো? উল্লেখ্যে যে, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫ তারিখের মিথ্যা বানোয়াট কাল্পনিক, ও উদ্দেশ্য প্রোনোদিত সংবাদ প্রত্যাহার না করলে পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।”
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!