
টঙ্গী প্রতিনিধি: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে হামলাকারী ও তাদের ইন্ধনদাতা আসামীরা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পরিকল্পিত অপপ্রচার, বাদীপক্ষকে হুমকি ও গভীর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
গতকাল রবিবার বিকেলে টঙ্গীর চেরেগআলী এলাকায় একটি রেস্তোরাঁর হল রুমে এ সংবাদ সম্মেলন করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিবাদীদের হামলায় অন্ধত্ববরণকারী সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুনের পিতা আসান উল্লাহ ও তার আইনজীবী জিয়াউল হাসান স্বপন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আইনজীবী জিয়াউল হাসান স্বপন বলেন, গত ৪ ই আগষ্ট রাজধানীর উত্তরায় বিএনএস টাওয়ারের সামনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে যোগ দেন টঙ্গীর সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির মেধাবী ছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন। ওই সময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ হামলায় চালায়।
এতে আব্দুল্লাহ আল মামুনের চোখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুলি লাগে। সে বর্তমানে সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়। আইনজীবী স্বপন বলেন, আমরা আন্দোলনে হামলাকারীদের মধ্যে এক কিশোরের নাম পরিচয় উল্লেখ করে মামলার এজাহারে উল্লেখ করি। ওই কিশোরের বাবা আওয়ামী লীগের নেতা। ওই ছেলেটিকে আসামি করার অজুহাত অন্য আসামীরা মামলাটিকে মিথ্যা প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগেছে। তারা বাদীপক্ষকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে।
এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাদীপক্ষ। তিনি আরও জানান, ওই ঘটনায় এজাহারে তারা ২০৩ জন আসামির নাম উল্লেখ করেন। তথ্যগত ভুলের কারণে কারও নাম আসতেই পারে। সাক্ষ্য প্রমাণ বা তদন্তেই ওই ঘটনায় আসামিদের সম্পৃক্ততার প্রমান হবে। কিন্তু দু একটি নাম নিয়ে পরিকল্পিত বিতর্ক সৃষ্টি করে পুরো মামলাটিকে মিথ্যা প্রমাণে সাম্প্রতিক গভীর ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে আসামিরা।

আরও পড়ুন
আলফাডাঙ্গায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু
টঙ্গীতে দুটি ওয়াশিং কারখানার অবৈধ গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস
নওগাঁয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শফিকুল হত্যা রহস্য উদঘাটন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুইজন গ্রেফতার