হোম » সারাদেশ » হাতীবান্ধায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা বিজিবি’র তৎপরতায় প্রতিরোধ ও দেশীয় অস্ত্র সহ আটক-১

হাতীবান্ধায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা বিজিবি’র তৎপরতায় প্রতিরোধ ও দেশীয় অস্ত্র সহ আটক-১

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় শ্মশানের জমি নিয়ে বিরোধে আসামীকে পুলিশ গ্রেফতারের জের,সোমবার দিনগত মধ্য রাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের উপর হামলা। এ সময় ৬১ বিজিবির টহল দল দেশীয় অস্ত্র সহ সাহিনুর ইসলামকে আটক করে পুলিশ দেয়।

মঙ্গলবার সকালে প্রেরিত ৬১ বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানাগেছে, গত ০৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী দেশের পরিবর্তিত সময়ে বড়খাতা এলাকার বুড়াসারডুবি নামক স্থানে পূর্বের জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে কতিপয় দুষ্কৃতকারী বিরোধ পূর্ণ এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করে। পরবর্তীতে অত্র ব্যাটালিয়ন সংখ্যা লঘুদের বাড়িঘর পুনরায় নির্মাণে সহায়তা করা সহ সার্বক্ষণিক তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে টহল পরিচালনা করে থাকে। হিন্দুদের উপর হামলার ও ও ভাঙচুর ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়।

সেই মামলার একজন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতারের জের ধরে সোমবার দিনগত মধ্য রাতে পুনরায় উক্ত এলাকায় হামলার চেষ্টা করে। কিন্তু বিজিবির টহল দলের হস্তক্ষেপে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে উক্ত এলাকার মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে সাহিনুর ইসলাম (৪০) কে দেশীয় অস্ত্র সহ বিজিবি টহল দল কর্তৃক আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে বিজিবি এর টহল সদস্য বৃদ্ধির মাধ্যমে উক্ত এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিজিবি টহল দলের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে বড় ধরনের নাশকতা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে এলাকার সাধারণ জনগণ বিজিবি’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছে।

জানা গেছে, ৫ আগষ্টে পটপরিবর্তনের পর নাসির উদ্দিনের অপর পুত্র আনারুল ইসলাম জামায়াতে ইসলাম, মাইদুল ইসলাম মহল ও এনামুল ইসলাম নামে দুইজন বিএনপি-র রাজনীতিতের সাথে জড়িত থাকার সুবাদে তারা হিন্দুদের উপর হামলা করেন। এসব ঘটনার জের ধরে স্থানীয় থানায় একটি মামলা হয়। সেই মামলা সোমবার দুপুরে আনারুল ইসলাম নামে নাসির উদ্দিনের এক পুত্রকে পুলিশ গ্রেফতারও করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোমবার রাতে নাসির উদিনের পুত্রদের লোকজন ফের হিন্দুদের উপর হামলা চালায়। তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের দাবী হামলাকারীরা তাদের দূর্গা পূজার প্রতিমাও ভাংচুর করেছে। তবে এনামুল হক ও আনারুল ইসলাম হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

হাতীবান্ধা থানার ওসি মাহমুদু ন্নবী এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন বলেন, এ শ্মশানের জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ। ওই ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। হিন্দুদের উপর হামলা ও প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

-আসাদ হোসেন রিফাত-

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!