
জয়পুরহাটে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩৯ টি আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে সব কয়েকটি সংশ্লিষ্ট থানায় জমা হয়েছে। জয়পুরহাটের জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও ধর্ণাঢ্য ব্যক্তিরা নিজেদের ব্যক্তিগত সুরক্ষায় ৩৯ টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দিয়েছিল জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট। ২০০৯ সাল থেকে বিগত সরকারের আমলে তাঁরা আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেয়েছিলেন। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার বেঁধে দেওয়া সময় গত ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাঁরা ৩৯ টি আগ্নেয়াস্ত্রই সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিয়েছেন। লাইসেন্স প্রাপ্ত কোন আগ্নেয়াস্ত্র বাহিরে নেই বলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জুড়িসিয়াল মুন্সিখানা শাখা সূত্র জানিয়েছে। তবে জয়পুরহাট সদর থানার লুট হওয়া সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বাহিরে রয়েছে। এসব আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করেছে।
জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাটে গতকাল বুধবার থেকে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও র্যাবের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করে। যৌথ বাহিনী ওইদিন বিকেলে শহরের খঞ্জনপুর, হিচমী, বাইপাসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে টহল দিয়েছে। লাইসেন্স প্রাপ্ত কেউ আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেননি এমন আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জয়পুরহাটে লাইসেন্স প্রাপ্ত সবগুলো আগ্নেয়াস্ত্র জমা হয়েছে। এখন সদর থানার লুট হওয়া সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান চালানো হবে।
জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জুডিশিয়াল মুন্সিখানার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুর রউফ বলেন সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক লাইসেন্স প্রাপ্ত সবাই আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিয়েছেন। জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নুরে আলম বলেন, যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রাপ্তরা সবাই তাঁদের আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিয়েছেন। কিন্তু সদর থানার লুট হওয়া সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
-জয়পুরহাট প্রতিনিধি-

আরও পড়ুন
বগুড়ায় ২ বছরের শিশুকে অপহরণ চেষ্টা, প্রতিবাদ করায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা
বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, গণনায় লেগেছে প্রায় দুই দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার