হোম » সারাদেশ » রাণীশংকৈলে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার এখন ড্রাগন চাষী 

রাণীশংকৈলে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার এখন ড্রাগন চাষী 

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1,"remove":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

পাশ করেছেন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং। এরপর যোগ দেন একটি কোম্পানিতে। কোম্পানির চাকরি ছেড়ে চলে আসেন এলাকায়। আসার পর শুরু করেন ড্রাগন চাষ। এক একর জমির ড্রাগনের বাগানে স্বপ্ন দেখছেন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করা এ জেড অভিক নামের এক যুবক। 
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের সেই যুবকের মুখের হাসিই বলে দেয় চাকরি ছেড়ে মোটেই ভুল করেননি তিনি। প্রায় ১ একর জমিতে ভিয়েতনামি জাতের ৪ হাজার ৫’শ টি লাল রঙের বিদেশী ড্রাগনের বাগানের গাছে গাছে ঝুলছে ফল। আর এই ফল দেখে এ মৌসুমে অন্তত তিন লাখ টাকা লাভের আশা করছেন এ যুবক।
কৃষক উদ্যোক্তা অভিক জানান, গত বছরে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ এলাকায় ভ্রমণে গেলে সেখানকার ড্রাগনের বাগান দেখে বাগান করার আগ্রহ জন্মায়। গতবছর  ভিয়েতনামি জাতের ৪ হাজার ৫’শ টি লাল রঙের বিদেশী চারা রোপণ সহ আনুমানিক ৭ লক্ষ টাকা খরচ হয়। প্রথম বছরেই তিন লাখ টাকা উঠে এসেছে। যত দিন যাবে তত বেশি ফলন হবে এমনকি সামনের বছরে ১০ লক্ষ টাকার মতো ড্রাগন বিক্রি হবে বলে আশা করছি। এসময় আগামীতে আরো পাঁচ একর জমিতে ড্রাগন ফল চাষ করবেন বলে তিনি জানান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, ড্রাগনের স্বাদ ভালো হওয়ায় বাজারে এর চাহিদা রয়েছে। এছাড়াও বিশেষ কয়েকটি ভিটামিন রয়েছে এ ফলে। কৃষক উদ্যোক্তা অভিক এর বিষয়ে বলেন, চাকরি ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা হয়েছেন তিনি। এমনকি সফলও হয়েছেন। যদি কৃষিকাজে শিক্ষিত যুবকরা এগিয়ে আসে তাহলে কৃষি এগোবে, দেশ সমৃদ্ধ হবে।
মোঃ সবুজ ইসলাম-
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!