
সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ শিয়ালকোল এলাকায় প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে তৃতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি শুরু করেন সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
বুধবার (৩ জুলাই) সকালে সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কার্যালয়ের সামনে এই কর্মবিরতি পালন করা হয়। এতে জোনাল অফিস ও সাব-জোনাল অফিসের দুই শতাধিকের ও বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মবিরতিতে যোগ দেন।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোতে বেতন বৈষম্য, মানহীন ও নিম্নমানের মালামালের কারণে ভঙ্গুর বিতরণ ব্যবস্থা নিরসনসহ অভিন্ন চাকরিবিধি এবং চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে এ কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেয়। এসময় তারা বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কর্মবিরতি চলবেই।
জানা গেছে, দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ৪০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারি গত ৫ মে জরুরি বিদ্যুৎ সেবা চালু রেখে কর্মবিরতিতে নামেন। এ সময় বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ১৫ দিনের মধ্যে আলোচনায় বসে বাস্তবায়নের আশ্বাসে তারা সে সময়ে কর্মবিরতি স্থগিত করে কাজে যোগ দেন। কিন্তু প্রায় দুই মাসেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফের গতকাল সোমবার (১ জুলাই) থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ ও ১ এর আওতাভুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান আন্দোলনরত কর্মচারীরা। তবে জরুরি গ্রাহক সেবা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে জানান আন্দোলনরতরা।
এ সময় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (কারিগরি) বেলাল হোসেন, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার কাজী জসিম উদ্দিন, সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (আইটি) সাজিদুর রহমান, সহকারী হিসাব রক্ষক রায়হান বাসার, লাইন টেকনেসিয়ান আনোয়ার হোসেন, মিটার রিটার কাম ম্যাসেঞ্জার সফিকুল ইসলাম ও বিলিং সহকারী মহিমা খাতুন।

আরও পড়ুন
বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, গণনায় লেগেছে প্রায় দুই দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
নওগাঁয় সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা করায় যুবক আটক