হোম » সারাদেশ » চকরিয়ায় বিচার চলাকালীন এজলাস ভাঙচুর ও জনপ্রতিনিধির উপর হামলা 

চকরিয়ায় বিচার চলাকালীন এজলাস ভাঙচুর ও জনপ্রতিনিধির উপর হামলা 

প্রায় ৬০ হাজার জনসংখ্যার কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়ন। আয়তন ৬হাজার ৫শত একর (২৬.৩০ বর্গ কিলোমিটার)। গত ২০২১সালের ২৬ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের মাধ্যমে বরইতলী ইউনিয়নের ১০ম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মোহাম্মদ ছালেকুজ্জামান । ২০২২সালের ২৭ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করে ৭ ফেব্রুয়ারী অভিষেক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বরইতলী বাসীর অভিভাবক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ছালেকুজ্জামান বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি নাগরিককে আমি ভালোবাসি এবং সম্মান করি। সর্বোচ্ছ চেষ্টা করছি নাগরিক সেবাগুলো তাদের দুর্গোড়ায় পোঁছে দিতে। আমি মানুষ হিসেবে ভূলের উর্ধ্বে নয় । অজস্র  দায়িত্বপালনকালে টুকিটাকি ভূল হতেও পারে। কিছু কাজে সফল হয়েছি, যেসব কাজে সফল, সবগুলোর কৃতিত্ব বরইতলী ইউনিয়নবাসীর । কিন্তু চেয়ারম্যান হিসেবে কোনো নাগরিকের হক নষ্ট করিনি, এবং অভিচারও করিনি।

সামপ্রতিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও তার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ছালেকুজ্জামান।

গত রবিবার (২৩ জুন) চকরিয়া উপজেলার বরইতলি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের নির্ধারিত দিন ছিল। উক্ত তারিখে গ্রাম আদালতের ৫৩/২৪ মামলার ২য় বৈঠক চলাকালীন সময় পরিষদের এজলাসে মামলার বিবাদী এনামুল হকগং উপর্যুপরি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করতে থাকেন । পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারগণ বিবাদীগংকে শান্তিপুর্ণ আচরণ করার জন্য বার বার অনুরোধ করার পরেও তারা উত্তেজিত হয়ে চিল্লাচিল্লি করতে থাকলে পরিষদের চৌকিদারগণ বিবাদী পক্ষকে পরিষদ থেকে অল্প সময়ের জন্য বের করে দিতে চাইলে চৌকিদারদের সাথে বিবাদী পক্ষের লোকদের সাথে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে বিবাদী পক্ষ পরিষদের এজলাসের চেয়ার টেবিল ভাংচুর করে সচিবকে হেনস্থা ও পরিষদের সদস্য আলমগীর হোছাইনের উপর হামলা করে ।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিবাদী পক্ষকে একটি কুচক্রী মহল ইন্ধন দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারগণ। এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও চৌকিদারগণ।

-এইচ এম রুহুল কাদের-

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!