
কক্সবাজারে উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘আরসা সন্ত্রাসীদের দুই পক্ষ এবং পুলিশের মধ্যে গোলাগুলিতে’ আরসার কমান্ডার নিহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল জব্দ করেছে পুলিশ।
এ নিয়ে গত তিনদিনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বর্তমানে ক্যাম্প অভ্যন্তরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার (১২ জুন) সকাল ৬টার দিকে উখিয়ার ঘোনার পাড়া ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-৪ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল মোনাফ(২৫) উখিয়া উপজেলার ঘোনার পাড়া ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-৪ ব্লকের বাসিন্দা আজিম উল্লাহ-এর ছেলে।
৮ এপিবিএন এর অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক ( এডিআইজি ) মো. আমির জাফর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আমির জাফর আরও বলেন, সকাল ৬ টার দিকে উখিয়ার ঘোনার পাড়া ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-৪ ব্লকে মিয়ানমারের সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার সন্ত্রাসীদের দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে এপিবিএন পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছলে আরসা সন্ত্রাসীরা অতর্কিত গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়ে। ‘ত্রিমুখী’ গোলাগুলির একপর্যায়ে আরসা সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় ঘটনাস্থলের আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় বিদেশি একটি পিস্তল। পরে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, নিহত আব্দুল মোনাফ একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে ৪টি হত্যা ১ টিঅস্ত্র মামলাসহ ৬টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। তবে কী কারণে আরসা সন্ত্রাসীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে পুলিশ তা নিশ্চিত নয়। এ ব্যাপারে পুলিশ খোঁজখবর নিচ্ছে।
এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শামীম হোসেন সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নিহত আরসার কমান্ডারের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
-মোহাম্মদ খোরশেদ হেলালী-

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আত্রাইয়ে দুই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গৃহবধূর পা বিচ্ছিন্ন
আড়ানী ডিগ্রি কলেজে ৩১টি নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রদান