
গত ২৭ মে ২০২৪ ইং তারিখে সাপ্তাহিক আওয়ামীকন্ঠ পত্রিকায় “প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে চার সহোদর ভাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় মামলা অতঃপর জামিনে বেরিয়ে সত্য ঘটনা উম্মোচন” শীর্ষক হেডে একটি মিথ্যা, বানোয়াটও ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশিত হয়। আমি উক্ত সংবাদে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার পূর্ব গৌরীপাড়া গ্রামের দোলাবাড়িতে প্রতি রাতে জুয়ার আসর বসতো। আমি সেই জুয়ার আসরের ভিডিও ধারণ করে আমার ফেইসবুক আইডিতে পোষ্ট করি এবং গত ২৫ এপ্রিল একটি অনলাইন পত্রিকায় নিউজটি প্রকাশ করা হয়।
নিউজ প্রকাশ করায় এক শ্রেণীর স্বার্থেন্বষী মহল আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। ফলে গত ১ মে মুরগী মারার একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১১ মে আমাকে আসামীরা হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড, বেলচা, পাট্টা, বঁাশের লাঠি দিয়ে এলাপাথাড়ী মারধর করে এবং কিল ঘুশি মারে। আমি অসুস্থ হলে ফুলবাড়ী হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করি। পরে ফুলবাড়ী থানায় জুয়াড়– হোসেন আলী (টাইগার), কুদ্দুস আলী (চেংকু), সুমন (পাপা) ও মিলনের নামে একটি মামলা দায়ের করলে আসামীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। আমি ফুলবাড়ী থানায় মামলা করি যাহার মামলা নং জিআর-১৪/২৪। এর পরে একজন মাদকসেবী, নারী কেলেংকারী ও সাংবাদিক নামধারী সফিকুল ইসলাম (কেচো) কে দিয়ে আসামীরী একটি মনগড়া, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করে। প্রকাশিত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন এবং আমাকে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে হেয় করতে এমন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
সংবাদে আমার নামে একাধিক মামলা চলমান থাকার কথা বলা হয়েছে যা মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার নামে কোন প্রকার মামলা চলমান নেই। ফুলবাড়ী থানাকে ম্যানেজ করার কথা বলা হয়েছে যা কোনভাবেই সম্ভব নয়। এছাড়াও প্রকাশিত সংবাদে মামলার খরচ বাবদ বিশ হাজার টাকা পেলে মামলা তুলে নেয়ার কথা বলা হয়েছে যা একেবারি ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে আসামীদের সাথে কিংবা তৃতীয় কোনো পক্ষের সাথে টাকা নিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার বিষয়ে কিংবা মিমাংসার কোন কথাবার্তা হয়নি। প্রকাশিত সংবাদে মামলার আইও’র যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে তা মিথ্যা। মামলার আইও এসআই আবুল কালাম আজাদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, সাপ্তাহিক আওয়ামীকন্ঠে মোরসালিনের বিরুদ্ধে যে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে তাতে আমার যে বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে তা আমার বক্তব্য নয়।
তিনি আরও বলেন, কথিত নামধারী ঐ সাংবাদিক আমার সাথে কথা না বলেই আমার বক্তব্য ছাপিয়েছে। পরিশেষে বলতে চাই, আমার বিরুদ্ধে যে সকল মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত যে প্রতিবেদন ছাপানো হয়েছে সেখানে আমার কোন বক্তব্য নেওয়া হয়নি। যা হলুদ সাংবাদিকতার পরিচয় বহন করে। আমার সাথে যোগাযোগ না করে ছবিসহ আমার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আমার সম্মানহানী করা হয়েছে এবং সমাজিক ও পারিবারিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। আমার বক্তব্য তুলে না ধরে এবং ছবিসহ মিথ্যা তথ্যদিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় আমার চরম সম্মানহানী এবং ক্ষতি করা হয়েছে। গত ২৭ মে সংবাদ পরিবেশনকারীর হলুদ কার্ড ধারী সাংবাদিক প্রএিকার মাধ্যমে হ্মমা প্রথনা না করিলে আমি আদালতের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবে । প্রতিবাদে মো. মোরসালিন ইসলাম।
-ফুলবাড়ী প্রতিনিধি-

আরও পড়ুন
বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, গণনায় লেগেছে প্রায় দুই দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
নওগাঁয় সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা করায় যুবক আটক