
ফুলবাড়ী প্রতিনিধি : দিনাজপুরের ফুলবাড়ী মহাসড়কে ভটভটি ও ট্রাক্টর পরিবহন থেকে ব্যাপকভাবে চাঁদাবাজীর অভিযোগ উঠেছে দিনাজপুর জেলার ট্রাফিক শাখার পুলিশের টিএসআই মো. আবুল কালাম ও এটিএসআই আব্দুর রহমান ও ফুলবাড়ী থানার কনস্টেবল মো. ইউনুস ( ম্যাচ ম্যানেজার) বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন ভটভটি ও ট্রাক্টর যানবাহনের চালকরা। রাস্তায় দাঁড়িয়ে গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষার নামে এসব চাঁদাবাজী করা হচ্ছে।
এছাড়া হাইওয়ে রোড দিয়ে চলাচল করা পরিবহনের সাথে রয়েছে ট্রাফিক পুলিশের মাসিক চুক্তি। যেসব গাড়িতে চুক্তি নেই শুধু সেই গাড়ি গুলি আটক করে মামলা দিচ্ছেন তারা এমন অভিযোগ করেছেন অনেক চালক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চালক জানান, দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে গাড়ী চলাচলের জন্য ভটভটি, ট্রাক্টরের গাড়ী থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে দিতে হয়।
ফুলবাড়ীতে ৪০০ গাড়ী আছে প্রতি মাসের দালাল মো. আলমগীরকে টাকা দিতে হয়। গাড়ীচালরা বলেন, আলমগীর আমাদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে গাড়ী প্রতি নেয়। যারা মাসিক চাঁদা দেয় তাদের সবার কাছে মেসার্স রাঙ্গা মটরস নামে একটি টোকন রয়েছে, এই টোকন জেলার ট্রাফিকে পুলিশকে দেখালে ছেড়ে দেয়। দিনাজপুর হাইওয়ে রোডের একাধিক স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে প্রতিনিয়ত ট্রাফিক পুলিশ উৎকোচ আদায় করছেন। প্রতিমাসের নির্ধারিত দিনে এসব খাত থেকে লাখ লাখ টাকার চাঁদা আদায় করছে ট্রাফিক পুলিশ। মাসিক চুক্তিতে রাজি না হলে সেসব গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দেওয়াসহ গাড়ি রিক্যুজিশনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য বলাবাহুল্য গাড়ী প্রতি ২০০ টাকা করে চলে যায় ফুলবাড়ী থানার কনস্টেবল মো. ইউনুস ( ম্যাচ ম্যানেজারের মাধ্যমে ওসি মো. মোস্তাফিজারের কাছে। এমকি থানার চাঁদাবাজিতে ছাড়া পায়নি পৌর ইজারাদারা প্রতিমাসের স্টেশনের সামনে থেকে বিপ্লবের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা, জমুনা ব্রীজের সামনে থেকে মো. জোবায়ের ও বিপ্লবের কাছ থেকে প্রতিমাসে ১০ হাজার টাকা করে নেয়। ঢাকা মোড়ে অটোগাড়ী থেকে মো. হামিদুল প্রতিমাসে – ৫ হাজার টাকা করে নেয়।
বাস স্ট্যান্ড মো. ফরহাদের কাছ থেকে বালু ধলাই করার টলি থেকে ১০০ টাকা করে নেয়।পৌরসভার প্রতিটি পয়েন্টে কনস্টেবল মো. ইউনুস ( ম্যাচ ম্যানেজার কালেকশন করে । পৌরসভার ইজারাদার নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক বলেন প্রতিমাসে চাঁদা না দিলে থানা থেকে হয়রানি ও তুলে নিয়ে যায় ও মিথ্যা মামলা ও ভয় ভীতি প্রদর্শন করে। ইউনূসের সাথে কথা বললে তিনি শিকার করে বলেন, প্রতি মাসে পয়েন্ট থেকে চাঁদা কালেকশন করি । ওসিকে প্রতি মাসে টাকা দেই ও আমিও নেই। সচেতন নাগরিক সমাজ বলছে এই ধরনের কর্মকাণ্ডে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন ও সম্মান হচ্ছে ।

আরও পড়ুন
সরকারি সহায়তার নামে কোটি টাকার প্রতারণা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘মাসকুরা ট্রেডার্স’ এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধ
গোপালপুরে বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এর বাবা ইন্তেকাল করেছেন
বগুড়ায় ২ বছরের শিশুকে অপহরণ চেষ্টা, প্রতিবাদ করায় বাবাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা